বগুড়ায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে আগাম শীতের সবজি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে মূলা, ফুলকপি ও ধনেপাতার মতো ফসলের ফলনে ধস নেমেছে। চাষাবাদের জমি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কম হলেও লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষিরা। তবে ফলন কম হলেও মোট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
সস্তায় শ্রমিক পাওয়ায় গেল বছরের তুলনায় এবার বগুড়ায় সবজি চাষে বিঘাপ্রতি খরচ কমেছে ৫ হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে বাধাঁকপি, পালংশাক, সীম, টমেটোসহ ১০ ধরনের ফসল চাষ হয়েছে ৩০ হাজার টাকায়। আর চাষাবাদের এলাকা সাড়ে ৪০০ বিঘা বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার ৭৫ বিঘা। তবে, এসবের পরেও হাসি নেই কৃষকের মুখে।
অসময়ের বৃষ্টি আর তাপমাত্রার অস্বাভাবিক উঠানামায় সবজির ফলনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে । সবজির মান কমায় গত বছর কেজিতে ১২৫ টাকা মিললেও এবার গড় দাম ১০৮ টাকা। আগামী ফসল চাষে সংকটে পড়তে হবে, বলছেন কৃষকেরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ বলেন, ‘সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগাম সবজির উৎপাদনও মাত্র ১ হাজার মেট্রিক টনের কিছু বেশি। বৃষ্টি ও কীটনাশকের কারণে ফলন কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। তবে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো যাবে।’
আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবার বগুড়ায় শীতের আগাম সবজি মোট উৎপাদন ৪৫ হাজার মেট্রিক টন ছাড়াবে, আশা কৃষি বিভাগের।





















