রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষককে সর্বহারা পরিচয়ে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে একাধিক শিক্ষক নগরীর মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনা তদন্তে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ফোনে হুমকি আসছে। কখনো ‘পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির’ সদস্য আবার কখনো- সিরাজ শিকদারের ভাই বলে নিজেদের পরিচয় দিচ্ছেন দুর্বৃত্তরা।
সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১১ জন শিক্ষকের কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরইমধ্যে বিষয়টি নিয়ে নগরীর মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন একাধিক শিক্ষক। ক্যাম্পাসে জুড়ে চলছে নানা আলোচনা।
এক শিক্ষক বলেন, তাঁকে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে দুর্গপূজার আগেই তাঁর লাশ শ্বশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করা হবে।
অন্য এক শিক্ষক বলেন, এভাবে চলতে চলতে কখন না আবার বড় ক্ষতি হয়ে যায়। এমন কিছু ঘটলে সরকার ক্ষতিপূরণ করতে পারবে কিনা, এই প্রশ্নও রাখেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন আমাকে যেটা জানিয়েছে সেটা হচ্ছে যে, এ ব্যাপারে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এটা এক ধরনের স্ক্যাম। হুমকি আসা নম্বরগুলো ব্লক করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
পুলিশ বলছে, ঘটনার তদন্তে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ফয়জুল কবির বলেন, ‘আমাদের কাছে যে অভিযোগ এসেছে, অবশ্যই আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। আমি মনে করি শিক্ষকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। এটা সাময়িকভাবে বিরক্ত করার একটা চেষ্টা।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ফোন করে হুমকির ঘটনা নিছকই চাঁদাবাজির চেষ্টা? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো উদ্দেশ্য, তদন্তে পুলিশ।






















