কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর গতকাল শনিবার দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বিকেল তিনটার দিকে তাকে আটক করা হয়। কোটবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভুঁইয়া আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তুহিনকে আটক করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতীমের সঙ্গে তাকে দেখা গেছে। ফুটেজে দুজনকে হ্যান্ডশেক করতে দেখা যায়।
পরে তারা প্রায় এক ঘণ্টা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় অবস্থান করে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। এ ছাড়া নিখোঁজের দিন অপ্রতীমের সঙ্গে তুহিনের মেসেজ আদান-প্রদানের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি অপ্রতীমের সঙ্গে থাকা আইফোনকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, আইফোনের জন্যই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা অনেকটা নিশ্চিত।
শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর গতকাল তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তুহিনকে আটকের পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


















