ফসল রক্ষার সময়ে তীব্র সার সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কুষ্টিয়া ও কুড়িগ্রামের কৃষকেরা। নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় ইউরিয়া, ডিএপি কিংবা পটাশ সার মিলছে না। কৃষকদের অভিযোগ, বেশি দাম দিলেই কেবল সার পাওয়া যাচ্ছে। তদারকির অভাবে কৃষকদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে মুনাফা লুটে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
কুষ্টিয়ার মিরপুরের চিথলিয়া গ্রামের কৃষক সামছুল মন্ডল জানান, দুই বিঘা জমিতে লাগিয়েছেন রোপা আমন ধানের চারা। এক বস্তা ইউরিয়া সার কিনতে তাকে গুনতে হয়েছে অতিরিক্ত ৩৭০ টাকা। একই অভিযোগ ৬ উপজেলার বেশিরভাগ কৃষকের। তারা বলছেন, সরকারি দামের চেয়ে কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেশি দিলেই মিলছে সার।
তবে ডিলারদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম। কুষ্টিয়ার মিরপুরের ডিলার আহার আলী জানান, কৃষকদের অভিযোগ সম্পর্কে তার জানা নেই।
এদিকে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও সার পাচ্ছেন না কুড়িগ্রামের কৃষকরা। সার থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগ তাদের।
এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, সারের কোনো সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় বাড়তি সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি চাহিদামতো সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ এবং ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটেছে।



















