প্রজাপতি তাদের পা দিয়ে খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারে। ক্যাঙ্গারু এবং ইমু পাখি পেছনের দিকে হাঁটতে পারে না। হাতির ছানারা খিদের সময় মানুষের বাচ্চাদের মতো তাদের নিজেদের শুঁড় চুষে থাকে।
জন্ম নেওয়ার সময় পান্ডা ভালুক ইঁদুরের চেয়েও ছোট আকারে থাকে। জেলিফিশের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি দিয়ে তৈরি। শামুক টানা তিন বছর পর্যন্ত কোনো খাবার না খেয়ে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারে। ঘোড়া দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এবং চোখ খোলা রেখেই ঘুমাতে পারে। কাঠবেড়ালীরা বাদাম বা বীজ মাটির নিচে লুকিয়ে রাখে এবং পরে তা ভুলে যাওয়ার কারণে নতুন গাছ জন্ম নেয়।
প্রজাপতির চোখ হাজার হাজার ছোট লেন্স দিয়ে তৈরি হলেও তারা শুধু লাল, সবুজ ও হলুদ রং দেখতে পায়। ক্যাঙ্গারু জলের নিচে খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে এবং তাদের লেজ ব্যালেন্স রাখতে সাহায্য করে। পেঙ্গুইন পাখি সমুদ্রের লবণাক্ত পানি পান করতে পারে কারণ তাদের বিশেষ গ্রন্থি লবণ শরীর থেকে বের করে দেয়। মৌমাছিরা এক ফুল থেকে অন্য ফুলে মধু সংগ্রহের সময় নেচে নেচে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে।
টিকটিকি বিপদে পড়লে নিজেদের লেজ শরীর থেকে আলাদা করে ফেলে এবং পরবর্তীতে সেখানে নতুন লেজ গজায়। জিরাফ দিনে মাত্র ৩০ মিনিট থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমায় এবং সেটিও বেশিরভাগ সময় দাঁড়িয়ে। ডলফিন পানির নিচে ঘুমালেও ডুবে যায় না কারণ তাদের মস্তিষ্কের অর্ধেক সজাগ থাকে। বানরের ১০টি আঙুল থাকলেও তাদের হাতের বুড়ো আঙুল মানুষের মতো বিপরীতমুখী হয় না।
হাসের পালকগুলো পুরোপুরি জলরোধী হয় কারণ তারা নিজেদের লেজের গোড়ার তেল পুরো শরীরে মেখে নেয়। ছোট বিড়ালছানারা ঘুমানোর সময় সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায় কারণ তখন তাদের শরীর থেকে গ্রোথ হরমোন বেশি নির্গত হয়। স্টারফিশের কোনো রক্ত বা মস্তিষ্ক থাকে না, তবে তাদের বহু চোখ রয়েছে। কুকুরেরা খুব ভালো গন্ধ বুঝতে পারে এবং তারা মানুষের চোখের দিকে তাকিয়ে মানুষের আবেগ বুঝতে পারে।



















