ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষেই আভাস পাওয়া গিয়েছিল যে প্রথম ইনিংসে বড় লিড পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। সে সময় ৪ উইকেট হাতে রেখে ১৫৩ রানের লিড পেয়েছিল টাইগাররা।
হাতে থাকা ৪ উইকেট নিয়ে সংগ্রহ বাড়িয়ে ৪২৬ রানে থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংস। তাতে প্রথম ইনিংস শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে ২২৮ রানে। টেস্টের মোটে আড়াই দিনেই যেন জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। এমন অবস্থা থেকে টেস্ট জিততে হলে নতুন ইতিহাসই লিখতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে।
পরিসংখ্যান বলছে, ডারউইন টেস্টের আগ পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে ২০০+ রানে পিছিয়ে থাকা ৮২ বারের ঘটনায় মোটে ৩টি ম্যাচে জিততে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া। আর যদি বাংলাদেশের ২২৮ রানের লিড বিবেচনা করা হয়, প্রথম ইনিংসে এর চেয়ে বেশি রানে পিছিয়ে থেকেও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতেছে মোটে দুবার। ওই দুটি ঘটনাই দেশের বাইরে।
ঘরের মাঠে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকে জয়ের কীর্তি আছে অস্ট্রেলিয়ার। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে হলে, সেই রেকর্ড নতুন করেই লিখতে হবে অজিদের।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা কতটা দাপট দেখিয়েছে, সেটা স্কোরবোর্ডের দিকে তাকালে সহজেই বোঝা যায়। এই ইনিংসে বাংলাদেশ টিকে ছিল ১৩৮ ওভার। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০১৯ সালে সিডনি টেস্টে ভারতের পর আর কোনো দল এত বেশি সময় টিকে থাকতে পারেনি।
বাংলাদেশকে এত লম্বা সময় টিকিয়ে রাখতে টেল এন্ডারদের অবদানও কম নয়। ৮-এ নামা হাসান মাহমুদ আজ যখন আউট হলেন, তখন তাঁর নামের পাশে ১৪ রান। কিন্তু এই ১৪ রান করতে তিনি খেলেছেন ৯২ বল! ৭- এ নামা মেহেদী হাসান মিরাজ টেস্ট ক্যারিয়ারের ১০ম ফিফটি তুলে নিয়ে থেমেছেন ৬৫ রানে। স্টার্ক-হ্যাজেলউডদের সামলে খেলেছেন ১৫৪ বল।
এর বাইরে শেষ দিকে তাইজুল ইসলামের ১৭, এবাদতের ৭ কিংবা তাসকিন আহমেদের অপরাজিত ১৪ রানের সুবাদে বাংলাদেশের লিড ২২৮-এ পৌঁছেছে।






















