4:11 am, Sunday, 2 August 2026

প্যান্টের নিচে কোটি টাকার স্বর্ণ

  • MIT ERP
  • Update Time : 02:46:24 am, Sunday, 2 August 2026
  • 4
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘ক্যাপসুলসদৃশ’ স্বর্ণসহ ভারতীয় এক যাত্রী ধরা পড়েছেন কাস্টম গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর-সিআইআইডির হাতে। ওই যাত্রী তার অন্তর্বাসের মধ্যে ‘অভিনব কায়দায়’ স্বর্ণ চোরাচালানের চেষ্টা করছিলেন বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থটি। সংস্থাটি গতকাল শনিবার বিজ্ঞপ্তিতে বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে এদিন সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে এয়ার অ্যারাবিয়ার জি৯-৫২৬ ফ্লাইটে শাহ আমানতে নামেন ভারতীয় যাত্রী থামিম আনসারি। বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার পর চট্টগ্রাম সিআইআইডির একটি দল তাকে শনাক্ত করে। পাসপোর্টে তার ঠিকানা ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য উল্লেখ আছে। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে তার আন্ডারওয়্যারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো ক্যাপসুলসদৃশ আকৃতির স্বর্ণজাত পদার্থ উদ্ধার করা হয়। প্যাকিং সামগ্রীসহ ওজন করে উদ্ধার করা বস্তুর ৪৫৫ গ্রাম ওজন মিলেছে। স্বর্ণকারের সহায়তায় প্যাকিং সামগ্রী বাদ দিয়ে প্রকৃত সোনার পরিমাণ ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা হবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। সিআইআইডি আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় কাস্টম আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর পাশপাশি যাত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রস্তুতি চলছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সংঘটিত স্বর্ণ ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছে সিআইআইডি। কাস্টম গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, প্যাকেটসহ উদ্ধার হওয়া বস্তুর মোট ওজন প্রায় ৪৫৫ গ্রাম। বর্তমানে স্বর্ণকারের সহায়তায় প্যাকিং সামগ্রী অপসারণ করে স্বর্ণের প্রকৃত ওজন ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণ করা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসাবে এর বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। ঘটনায় কাস্টম আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রক্রিয়াও চলছে। কাস্টম গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা ও অন্যান্য পণ্যের চোরাচালান ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

প্যান্টের নিচে কোটি টাকার স্বর্ণ

Update Time : 02:46:24 am, Sunday, 2 August 2026

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘ক্যাপসুলসদৃশ’ স্বর্ণসহ ভারতীয় এক যাত্রী ধরা পড়েছেন কাস্টম গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর-সিআইআইডির হাতে। ওই যাত্রী তার অন্তর্বাসের মধ্যে ‘অভিনব কায়দায়’ স্বর্ণ চোরাচালানের চেষ্টা করছিলেন বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থটি। সংস্থাটি গতকাল শনিবার বিজ্ঞপ্তিতে বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে এদিন সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে এয়ার অ্যারাবিয়ার জি৯-৫২৬ ফ্লাইটে শাহ আমানতে নামেন ভারতীয় যাত্রী থামিম আনসারি। বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার পর চট্টগ্রাম সিআইআইডির একটি দল তাকে শনাক্ত করে। পাসপোর্টে তার ঠিকানা ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য উল্লেখ আছে। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে তার আন্ডারওয়্যারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো ক্যাপসুলসদৃশ আকৃতির স্বর্ণজাত পদার্থ উদ্ধার করা হয়। প্যাকিং সামগ্রীসহ ওজন করে উদ্ধার করা বস্তুর ৪৫৫ গ্রাম ওজন মিলেছে। স্বর্ণকারের সহায়তায় প্যাকিং সামগ্রী বাদ দিয়ে প্রকৃত সোনার পরিমাণ ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা হবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। সিআইআইডি আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় কাস্টম আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর পাশপাশি যাত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রস্তুতি চলছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সংঘটিত স্বর্ণ ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছে সিআইআইডি। কাস্টম গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, প্যাকেটসহ উদ্ধার হওয়া বস্তুর মোট ওজন প্রায় ৪৫৫ গ্রাম। বর্তমানে স্বর্ণকারের সহায়তায় প্যাকিং সামগ্রী অপসারণ করে স্বর্ণের প্রকৃত ওজন ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণ করা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসাবে এর বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। ঘটনায় কাস্টম আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রক্রিয়াও চলছে। কাস্টম গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা ও অন্যান্য পণ্যের চোরাচালান ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।