ইরানের কেশম দ্বীপের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোনটিকে শনাক্ত ও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। পরে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। বিবৃতিতে মার্কিন ড্রোনটিকে ‘আগ্রাসী মার্কিন শত্রুর’ বিমান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ বলেও উল্লেখ করেছে তেহরান। তবে ড্রোন ভূপাতিতের বিষয়ে ইরানের এই দাবির পর এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কেশম ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশে অবস্থিত দ্বীপটি কৌশলগত দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
হরমুজ প্রণালির উত্তর প্রবেশপথের কাছাকাছি এর অবস্থান। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা চলার মধ্যে কেশম দ্বীপ এবং এর আশপাশের জলসীমায় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরান আগেও কয়েকবার করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জুন মাসে একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির লক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও সংঘাতের স্থায়ী অবসান এখনো নিশ্চিত হয়নি। ফলে অঞ্চলটিতে সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।






















