সরকারি বাঙলা কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ম্যাথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাঙলা কলেজ’-এর চতুর্থ কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৬-২৭) গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. শামীম মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. নাহিদ হাসান দায়িত্ব পেয়েছেন।
‎ ‎গত ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আখরুল ইসলাম, শিক্ষক উপদেষ্টা প্রসেনজিৎ গাইন এবং ছাত্র উপদেষ্টা জাহিদুল ইসলাম, বাইজিদ বোস্তামী, মোত্তালেব হোসেন বাঁধন, অনিমেষ ঢালী ও রোকনুজ্জামান রোকনের স্বাক্ষরে নতুন এ কমিটি প্রকাশ করা হয়। ‎ ‎নতুন কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন রিজবী হাসান রাতুল ও মো. নয়ন মিয়া।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হাসিবুল ইসলাম হাসিব ও মো. বোরহান। সাংগঠনিক সম্পাদক জোবাইদুল ইসলাম জিহাদ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তানজির আহম্মেদ। ‎ ‎এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে ফজলুর রহমান বাবু, দপ্তর সম্পাদক ইনজামামুল হক, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল-আমিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুরসালিন আহমেদ এবং সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে সিদ্দিকুর রহমান ও নূর মোহাম্মদ দায়িত্ব পেয়েছেন।
শিক্ষা, তথ্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মো. জিহাদ মিয়া। ‎ ‎কমিটির কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন রাফিদ হাসান, আব্দুল মাজেদ, ফজলুল করিম রাহাত, তানভীর হাসান প্রান্ত, সানওয়ার হোসেন, জাইমাতুল ফেরদৌস জীম, লাবণ্য সরকার ও মো. আরিফুল ইসলাম। ‎ ‎নতুন কমিটির সভাপতি মো. শামীম মিয়া বলেন, ‘ম্যাথ অ্যাসোসিয়েশন শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি গণিত বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য, বন্ধুত্ব ও মেধা বিকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম।
শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সৃজনশীল ও সহশিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করাই হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংগঠনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। ‎ ‎সাধারণ সম্পাদক মো. নাহিদ হাসান বলেন, নতুন দায়িত্বকে সামনে রেখে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে চাই। শিক্ষার্থীদের মতামত ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
গণিতের প্রতি আগ্রহ তৈরি, মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ, সহশিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরিতে আমরা কাজ করব। ‎ ‎নবগঠিত এই কমিটির মাধ্যমে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, একাডেমিক কার্যক্রম, সহশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।






















