আজ শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক, ১৪৩৩ | ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ২৯%

কিশোর কুমার, মান্না দে ও লতা মুঙ্গেশকরের স্মরণে ভারতীয় দূতাবাসের বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:52:20 am, Saturday, 17 October 2026
  • 12

কিশোর কুমার, মান্না দে ও লতা মুঙ্গেশকরের স্মরণে ভারতীয় দূতাবাসের বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভারত তথা উপমহাদেশের প্রখ্যাত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী কিশোর কুমার, মান্না দে ও লতা মুঙ্গেশকরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কালজয়ী কিছু গান নিয়ে বিশেষ আয়োজন করে বাংলাদেশের ভারতীয় দূতাবাস। এই তিন গুণী শিল্পীকে নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয় এ মিউজিক্যাল ইভিনিং উইথ লিজেন্ডস: এ ট্রিবিউট টু লতা মুঙ্গেশকর, কিশোর কুমার অ্যান্ড মান্না দে।

রাজধানীর বারিধারার পার্ক রোডে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের ইন্ধিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে গত ১৫ অক্টোবর বিকেল পাঁচটায় এই বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের গুণী নাট্যনির্মাতা, নাট্যরচয়িতা ও উপস্থাপক কৌশিক শংকর দাসের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেনÑ দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি (কমিউনিটি অ্যান্ড কালচার) প্রাণসু শর্মা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ইন্ডিয়ান হাই কমিশনার শ্রী পবনকুমার বঢ়ে। সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে সেকেন্ড সেক্রেটারি প্রাণসু শর্মা মঞ্চে আহ্বান জানান, প্রধান অতিথিকে তার বক্তব্য প্রদানের জন্য। প্রধান অতিথি ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার শ্রী পবনকুমার বঢ়ে বলেন, ‘ভারতের তিনজন বিখ্যাত সংগীতশিল্পীর প্রতি সংগীতময় শ্রদ্ধাঞ্জলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে আমন্ত্রণ জানাতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।

এই অসাধারণ তিন সংগীতশিল্পী এক অবিস্মরণীয় সংগীত ঐতিহ্য রেখে গেছেন। এই তিন গুণী শিল্পী ভারত থেকে বিভিন্ন সময়ে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় যেমন ভূষিত হয়েছেন। ঠিক তেমনি কোটি কোটি সংগীতপ্রেমী শ্রোতা-দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। তাদের গাওয়া কিছু গান নিয়েই বাংলাদেশের দুই শিল্পীর কণ্ঠে বিশেষ এই আয়োজন। ’ প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মঞ্চে শুরুতেই প্রথম সংগীত পরিবেশন করেন সমরজিৎ রায়।

তিনি মূলত মান্না দে এবং কিশোর কুমারের গান পরিবেশন করেন। সমরজিতের সংগীত পরিবেশন শেষে মঞ্চে উঠে আসেন অনুপমা মুক্তি। তিনি মূলত লতা মঙ্গেশকরের গানগুলো পরিবেশন করেন। এরপর দুজন দ্বৈত কিছু গান পরিবেশন করেন। যার মধ্যে ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ ও ‘তেরে বিনা জিন্দেগী’ গান দুটি উপস্থিত শ্রোতারা দারুণভাবে উপভোগ করেন।

অনুমপা মুক্তি বলেন, ‘আমার শরীরটা একটু খারাপ ছিল যে কারণে গান পরিবেশনার ফাঁকে ফাঁকে বারবার ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিলাম। তারপরও যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করেছি সবগুলো গান ভালোভাবেই গাইতে। ভারতীয় দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার, সেকেন্ড সেক্রেটারিসহ অন্যান্য সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। ’ সমরজিৎ রায় বলেন, ‘এই ধরনের আয়োজনে গাইতে একটু বেশিই ভালো লাগে।

কারণ, এই ধরনের আয়োজনে মনের মতো শ্রোতা পাওয়া যায়, যারা মন দিয়ে গানটা উপভোগ করেন। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা শান্তনু দাদাসহ এই আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি। আশা করছি, আগামীতেও এই ধরনের আয়োজনে আরও ভালোভাবে গান গাইতে পারব।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

মানিকগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি করায় ডিলারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

কিশোর কুমার, মান্না দে ও লতা মুঙ্গেশকরের স্মরণে ভারতীয় দূতাবাসের বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান

Update Time : 01:52:20 am, Saturday, 17 October 2026

ভারত তথা উপমহাদেশের প্রখ্যাত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী কিশোর কুমার, মান্না দে ও লতা মুঙ্গেশকরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কালজয়ী কিছু গান নিয়ে বিশেষ আয়োজন করে বাংলাদেশের ভারতীয় দূতাবাস। এই তিন গুণী শিল্পীকে নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয় এ মিউজিক্যাল ইভিনিং উইথ লিজেন্ডস: এ ট্রিবিউট টু লতা মুঙ্গেশকর, কিশোর কুমার অ্যান্ড মান্না দে।

রাজধানীর বারিধারার পার্ক রোডে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের ইন্ধিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে গত ১৫ অক্টোবর বিকেল পাঁচটায় এই বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের গুণী নাট্যনির্মাতা, নাট্যরচয়িতা ও উপস্থাপক কৌশিক শংকর দাসের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেনÑ দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি (কমিউনিটি অ্যান্ড কালচার) প্রাণসু শর্মা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ইন্ডিয়ান হাই কমিশনার শ্রী পবনকুমার বঢ়ে। সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে সেকেন্ড সেক্রেটারি প্রাণসু শর্মা মঞ্চে আহ্বান জানান, প্রধান অতিথিকে তার বক্তব্য প্রদানের জন্য। প্রধান অতিথি ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার শ্রী পবনকুমার বঢ়ে বলেন, ‘ভারতের তিনজন বিখ্যাত সংগীতশিল্পীর প্রতি সংগীতময় শ্রদ্ধাঞ্জলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে আমন্ত্রণ জানাতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।

এই অসাধারণ তিন সংগীতশিল্পী এক অবিস্মরণীয় সংগীত ঐতিহ্য রেখে গেছেন। এই তিন গুণী শিল্পী ভারত থেকে বিভিন্ন সময়ে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় যেমন ভূষিত হয়েছেন। ঠিক তেমনি কোটি কোটি সংগীতপ্রেমী শ্রোতা-দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। তাদের গাওয়া কিছু গান নিয়েই বাংলাদেশের দুই শিল্পীর কণ্ঠে বিশেষ এই আয়োজন। ’ প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মঞ্চে শুরুতেই প্রথম সংগীত পরিবেশন করেন সমরজিৎ রায়।

তিনি মূলত মান্না দে এবং কিশোর কুমারের গান পরিবেশন করেন। সমরজিতের সংগীত পরিবেশন শেষে মঞ্চে উঠে আসেন অনুপমা মুক্তি। তিনি মূলত লতা মঙ্গেশকরের গানগুলো পরিবেশন করেন। এরপর দুজন দ্বৈত কিছু গান পরিবেশন করেন। যার মধ্যে ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ ও ‘তেরে বিনা জিন্দেগী’ গান দুটি উপস্থিত শ্রোতারা দারুণভাবে উপভোগ করেন।

অনুমপা মুক্তি বলেন, ‘আমার শরীরটা একটু খারাপ ছিল যে কারণে গান পরিবেশনার ফাঁকে ফাঁকে বারবার ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিলাম। তারপরও যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করেছি সবগুলো গান ভালোভাবেই গাইতে। ভারতীয় দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার, সেকেন্ড সেক্রেটারিসহ অন্যান্য সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। ’ সমরজিৎ রায় বলেন, ‘এই ধরনের আয়োজনে গাইতে একটু বেশিই ভালো লাগে।

কারণ, এই ধরনের আয়োজনে মনের মতো শ্রোতা পাওয়া যায়, যারা মন দিয়ে গানটা উপভোগ করেন। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা শান্তনু দাদাসহ এই আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি। আশা করছি, আগামীতেও এই ধরনের আয়োজনে আরও ভালোভাবে গান গাইতে পারব।