জামালপুরের বকশীগঞ্জে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে একটি বড় সরকারি গাছ উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এক দরিদ্র ব্যবসায়ী। গাছের ভারে দোকানঘরটি ভেঙে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে তার একমাত্র জীবিকার উপায়।
ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বকশীগঞ্জ-সারমারা সড়কের দক্ষিণ পাশে, খাঁসিরপাড়া এলাকায়। ৮ অক্টোবর দুপুরে হঠাৎ বয়ে যাওয়া তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে সড়কের পাশের একটি বিশাল সরকারি গাছ উপড়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. কামরুল হাসানের দোকান ঘরের ওপর। এতে দোকান ঘরটি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত এবং তার ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের সন্তান কামরুল হাসান বর্তমানে কোনো আয়-রোজগার না থাকায় চরম অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
গাছটি এখনো দোকানের ওপর পড়ে থাকায় সেটি অপসারণ না করা পর্যন্ত নতুন করে ব্যবসা পরিচালনা করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। মো. কামরুল হাসান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে আমার দোকান ঘরের ওপর সরকারি বড় একটি গাছ ভেঙে পড়ছে। আমি একজন দরিদ্র মানুষ। দোকানটা ভেঙে যাওয়ায় এখন পরিবার নিয়ে চলাই কঠিন হয়ে পড়েছে। গাছটি দ্রুত অপসারণ না করলে আমি নতুন করে দোকান চালু করতে পারছি না।
প্রশাসন যদি গাছটি দ্রুত সড়িয়ে দেয় এবং আমাকে কিছু আর্থিক সাহায্য করে, তবেই আমি আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব। উপার্জনের একমাত্র মাধ্যমটি হারিয়ে নিঃস্ব কামরুল হাসান রোববার (১১ অক্টোবর) বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। তিনি জরুরিভিত্তিতে ভেঙে পড়া সরকারি গাছটি অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে পুনর্গঠনে মানবিক ও আর্থিক সহায়তার জোর দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন জানান, ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, আমরা গাছটি দ্রুত অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারকে আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।























