আজ রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৯ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩২°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৪°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

ভবনের অভাবে কুড়িগ্রাম ও শরীয়তপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:57:05 pm, Sunday, 4 October 2026
  • 33

ভবনের অভাবে কুড়িগ্রাম ও শরীয়তপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভবন না থাকায় কুড়িগ্রাম ও শরীয়তপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। কমেছে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি। এই অবস্থায় পড়াশোনা নিয়ে চিন্তিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা। আর স্কুল ভবনের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিস।

কুড়িগ্রামের চিলামারীর খরখরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে। দীর্ঘ দিনে জরাজীর্ণ হওয়ায় গত বছর ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নিলামে বিক্রি করা হয় পুরোনো ভবনটি। তবে ১০ মাস পরও নতুন ভবন তো দূরের কথা, পাস হয়নি নির্মাণের প্রস্তাবই।

কখনও স্কুলের বারান্দায়, কখনও শহীদ বেদিতে ক্লাস করতে হচ্ছে ১৭১ শিক্ষার্থীকে।

২০১৪ সালে নদী ভাঙনে বিলীন হয় জেলার চরমাদারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এরপর থেকে ভাঙ্গাচোরা তিনটি কক্ষেই চলছে পাঠদান। কমে গেছে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিও। অন্যদিকে সড়কে বর্ষার সময় হাটু পানি জমে ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

শরীয়তপুর সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইকবাল মনসুর বলেন, ‘স্কুল ভবনের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।’

শরীয়তপুরে গত ১০ বছরে নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে অন্তত ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

তিন দিন পর স্বাভাবিক হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

ভবনের অভাবে কুড়িগ্রাম ও শরীয়তপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত

Update Time : 05:57:05 pm, Sunday, 4 October 2026

ভবন না থাকায় কুড়িগ্রাম ও শরীয়তপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। কমেছে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি। এই অবস্থায় পড়াশোনা নিয়ে চিন্তিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা। আর স্কুল ভবনের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিস।

কুড়িগ্রামের চিলামারীর খরখরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে। দীর্ঘ দিনে জরাজীর্ণ হওয়ায় গত বছর ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নিলামে বিক্রি করা হয় পুরোনো ভবনটি। তবে ১০ মাস পরও নতুন ভবন তো দূরের কথা, পাস হয়নি নির্মাণের প্রস্তাবই।

কখনও স্কুলের বারান্দায়, কখনও শহীদ বেদিতে ক্লাস করতে হচ্ছে ১৭১ শিক্ষার্থীকে।

২০১৪ সালে নদী ভাঙনে বিলীন হয় জেলার চরমাদারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এরপর থেকে ভাঙ্গাচোরা তিনটি কক্ষেই চলছে পাঠদান। কমে গেছে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিও। অন্যদিকে সড়কে বর্ষার সময় হাটু পানি জমে ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

শরীয়তপুর সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইকবাল মনসুর বলেন, ‘স্কুল ভবনের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।’

শরীয়তপুরে গত ১০ বছরে নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে অন্তত ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।