আজ রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
৩৪°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৭৩%

অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:57:50 am, Sunday, 4 October 2026
  • 9

অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

নতুন বেতনকাঠামোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন একসঙ্গে পাবেন। তবে কে কত টাকা পাবেন, তা নির্ভর করবে নতুন বেতন নির্ধারণের পে ফিক্সেশনের ওপর। আগামীকাল সোমবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ করা হবে আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলে। চাকরিজীবীদের এ পোর্টালে প্রবেশ করে নিজেদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে থাকবে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতন।

পাশাপাশি আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যও যাচাই করতে হবে। নতুন কাঠামোয় কার মূল বেতন কত হবে, তা পে ফিক্সেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্য এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখ বিবেচনায় নিয়ে বকেয়ার হিসাব করা হবে। অর্থ বিভাগের সূত্র বলছে, বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ হওয়ার পর প্রায় তিন মাসের এরিয়ার বা বকেয়া একসঙ্গে দেওয়া হবে।

তবে সবার বকেয়ার পরিমাণ সমান হবে না। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন এবং তা কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে। কারও পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকলে সেসব তথ্যও দিতে হবে। এসব তথ্যের সমর্থনে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। বিশেষ করে নাম, এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও বেতনসংক্রান্ত তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি।

ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরও প্রয়োজন হবে। কারও এনআইডি না থাকলে চাকরির নথিতে থাকা জন্মতারিখসহ অন্যান্য তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন করতে হবে। যেভাবে কার্যকর হবে নতুন বেতন ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ২০২৬–২৭ ও ২০২৭–২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বেতন-ভাতা কার্যকর হবে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে এবং ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় ধাপে মূল বেতন দেওয়া হবে।

আর ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতনের ভিত্তিতে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ করা হবে। নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেওয়া হবে ওই পার্থক্যের ৭০ শতাংশ। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে দুই দফায় মূল বেতনের ৭০ শতাংশ দেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তথ্য যাচাই করবে হিসাবরক্ষণ কার্যালয় চাকরিজীবী অনলাইনে তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে। তথ্য ও নথিপত্রে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন করতে হবে। অর্থাৎ, শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে না।

আগের চাকরির ইতিহাস ও বেতন নির্ধারণের তথ্যের সঙ্গে নতুন দেওয়া তথ্যের মিল থাকতে হবে। অনলাইনে তথ্য দিতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে বকেয়া পাওনার হিসাবও চূড়ান্ত করা হবে। বেতন নির্ধারণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

অর্থ বিভাগের ‘সেবা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি’ (এসপিএফএমএস)-এর আওতায় আইবাস প্লাস প্লাস এ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। প্রধান হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (সিএএফও), বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক (ডিসিএ), জেলা হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (ডিএএফও) এবং উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা (ইউএও) কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন।

উচ্চতর গ্রেড নিয়ে জটিলতা নতুন বেতন আদেশ অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাবেন। প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে আগের বেতনকাঠামোয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা।

এসব জটিলতা নিরসনে কাজ চলছে। অর্থ বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, আগের বেতনকাঠামোয় একই পদে দুই বা ততোধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন কাঠামোয় ওই পদে আর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটিমাত্র উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।

অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো বলছে, ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি আগের পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং বেতন নির্ধারণের ইতিহাসও যাচাই করতে হবে। এসব তথ্য সঠিক থাকলেই নতুন বেতন ও বকেয়া পাওনার হিসাব নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

বাংলাদেশকে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার মনে করে ইইউ: রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার

অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

Update Time : 11:57:50 am, Sunday, 4 October 2026

নতুন বেতনকাঠামোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন একসঙ্গে পাবেন। তবে কে কত টাকা পাবেন, তা নির্ভর করবে নতুন বেতন নির্ধারণের পে ফিক্সেশনের ওপর। আগামীকাল সোমবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ করা হবে আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলে। চাকরিজীবীদের এ পোর্টালে প্রবেশ করে নিজেদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে থাকবে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতন।

পাশাপাশি আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যও যাচাই করতে হবে। নতুন কাঠামোয় কার মূল বেতন কত হবে, তা পে ফিক্সেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্য এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখ বিবেচনায় নিয়ে বকেয়ার হিসাব করা হবে। অর্থ বিভাগের সূত্র বলছে, বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ হওয়ার পর প্রায় তিন মাসের এরিয়ার বা বকেয়া একসঙ্গে দেওয়া হবে।

তবে সবার বকেয়ার পরিমাণ সমান হবে না। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন এবং তা কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে। কারও পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকলে সেসব তথ্যও দিতে হবে। এসব তথ্যের সমর্থনে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। বিশেষ করে নাম, এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও বেতনসংক্রান্ত তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি।

ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরও প্রয়োজন হবে। কারও এনআইডি না থাকলে চাকরির নথিতে থাকা জন্মতারিখসহ অন্যান্য তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন করতে হবে। যেভাবে কার্যকর হবে নতুন বেতন ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ২০২৬–২৭ ও ২০২৭–২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বেতন-ভাতা কার্যকর হবে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে এবং ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় ধাপে মূল বেতন দেওয়া হবে।

আর ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতনের ভিত্তিতে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ করা হবে। নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেওয়া হবে ওই পার্থক্যের ৭০ শতাংশ। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে দুই দফায় মূল বেতনের ৭০ শতাংশ দেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তথ্য যাচাই করবে হিসাবরক্ষণ কার্যালয় চাকরিজীবী অনলাইনে তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে। তথ্য ও নথিপত্রে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন করতে হবে। অর্থাৎ, শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে না।

আগের চাকরির ইতিহাস ও বেতন নির্ধারণের তথ্যের সঙ্গে নতুন দেওয়া তথ্যের মিল থাকতে হবে। অনলাইনে তথ্য দিতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে বকেয়া পাওনার হিসাবও চূড়ান্ত করা হবে। বেতন নির্ধারণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

অর্থ বিভাগের ‘সেবা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি’ (এসপিএফএমএস)-এর আওতায় আইবাস প্লাস প্লাস এ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। প্রধান হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (সিএএফও), বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক (ডিসিএ), জেলা হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (ডিএএফও) এবং উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা (ইউএও) কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন।

উচ্চতর গ্রেড নিয়ে জটিলতা নতুন বেতন আদেশ অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাবেন। প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে আগের বেতনকাঠামোয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা।

এসব জটিলতা নিরসনে কাজ চলছে। অর্থ বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, আগের বেতনকাঠামোয় একই পদে দুই বা ততোধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন কাঠামোয় ওই পদে আর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটিমাত্র উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।

অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো বলছে, ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি আগের পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং বেতন নির্ধারণের ইতিহাসও যাচাই করতে হবে। এসব তথ্য সঠিক থাকলেই নতুন বেতন ও বকেয়া পাওনার হিসাব নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হবে।