টানা উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের কেনার সামর্থ্য কমেছে। ফলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনায় গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। যার প্রভাব পড়েছে পোশাকের বেচাকেনায়। ব্র্যান্ডের দোকানগুলোয় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিলেও, তেমন ক্রেতা নেই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের চেয়ে তাদের বিক্রি কমেছে ২০ শতাংশের বেশি।
দেশের বড় বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোতে ঝুলছে আকর্ষণীয় ছাড়ের ব্যানার। অথচ দোকানে অলস দাঁড়িয়ে আছেন বিক্রয়কর্মীরা।
বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতা টানতে ২০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় দিলেও বিক্রি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
ফ্যাশন এন্টারপ্রেনারস এসোসিয়েশনের সাবেক সহ সভাপতি সৌমিক দাস বলেন, ‘বিক্রি কম, আবার উৎপাদন খরচ প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় মুনাফাও কমেছে।’
ক্রেতারা বলছেন, পোশাক জুতা বা অন্যান্য কেনাকাটার চেয়ে এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, সেপ্টেম্বর মাসের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ । যার মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ২ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি।
নলেজ হাব ইন্সটিটিউটের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিয়েছে। জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় মানুষ এখন অনেক ভেবেচিন্তে খরচ করছে।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, কেনাকাটার এই ধীরগতি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চাপের প্রতিফলন। তাই, স্থিতিশীলতা ফেরাতে অর্থনৈতিক সংস্কারের বাস্তবায়ন জরুরি বলে মনে করেন তারা।





















