পুঁজিবাজার থেকে সর্বোচ্চ ২৫০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড। এজন্য কোম্পানিটি পারপেচুয়াল, নন-কিউমুলেটিভ, নন-কনভার্টিবল ও নন-ভোটিং প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির দেওয়া ঘোষণা অনুসারে, প্রতিটি ১০ টাকা দরে সর্বোচ্চ ২৫ কোটি শেয়ার ছাড়া হবে। ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে স্পন্সর শেয়ারহোল্ডাদের অনুকূলে এই শেয়ার ইস্যু করবে। শেয়ার ছেড়ে সংগৃহীত এই অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি তাদের বর্তমান ঋণ পুনঃঅর্থায়ন করবে, ঋণের বোঝা কমাবে এবং চলতি মূলধনের চাহিদা মেটাবে।
এসব প্রেফারেন্স শেয়ারের লভ্যাংশ অ-পুঞ্জীভূত হবে। অর্থাৎ কোনো বছর লভ্যাংশ না দিলে তা পরের বছরের সাথে যোগ হবে না এবং পরিচালনা পর্ষদের নিজস্ব বিবেচনায় ঘোষিত হলেই কেবল তা পরিশোধ করা হবে। যেহেতু শেয়ারগুলো পারপেচুয়াল প্রকৃতির, তাই শেয়ারহোল্ডাররা কখনোই এগুলোর রিডেম্পশন দাবি করতে পারবেন না। প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর পাশাপাশি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত মূলধন বর্তমানের ২৫০ কোটি টাকা থেকে দ্বিগুণ করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ করেছে।
আগামী ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চূড়ান্ত সম্মতি সাপেক্ষে এই প্রস্তাব দুটি কার্যকর হবে। পৃথক এক ঘোষণায় কোম্পানিটি জানিয়েছে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে তাদের ৭৭ কোটি টাকা নিট লোকসান হয়েছে।
প্রান্তিক লোকসানের এই খবর প্রকাশের পর আজ ডিএসইতে সিঙ্গার বাংলাদেশের শেয়ারের দাম ৫.৭১ শতাংশ কমে ৭১ টাকায় নেমে এসেছে।





















