আজ বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৬%

আজ উদযাপিত হচ্ছে ‘পুলিশের সঙ্গে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন’

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:15:38 pm, Wednesday, 7 October 2026
  • 15
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

আজ ৭ অক্টোবর, বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে একটি ব্যতিক্রমী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ দিবস ‘ন্যাশনাল কফি উইথ আ কপ ডে’। সহজ বাংলায় এটি ‘পুলিশের সাথে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন’ হিসেবে পরিচিত।

প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম বুধবার আন্তর্জাতিকভাবে এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। দূরত্ব ঘোচাতে এক কাপ কফি সাধারণ নাগরিক এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (পুলিশ) সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অনীহা, ভয় ও দূরত্বের দেয়াল ভেঙে ফেলাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক এজেন্ডা, দীর্ঘ বক্তৃতা বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সাধারণ মানুষ এই দিনে পুলিশের মুখোমুখি বসার সুযোগ পান।

এক কাপ কফির উষ্ণতায় খোলামেলা আড্ডা, আলোচনা এবং নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা ও সমস্যা নিয়ে সরাসরি কথা বলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। যেভাবে শুরু হয়েছিল এই আয়োজন দিবসটির সূচনা খুব বেশি দিন আগের নয়। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার হথর্ন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (Hawthorne Police Department) প্রথম এই অভিনব উদ্যোগটি গ্রহণ করে। তারা লক্ষ্য করেন, সাধারণ মানুষের সাথে পুলিশের যোগাযোগ কেবল জরুরি কোনো দুর্ঘটনা বা অপরাধের সময়ই ঘটে, যা এক ধরনের মানসিক দূরত্ব তৈরি করে।

এই দূরত্ব কমাতে স্থানীয় একটি ম্যাকডোনাল্ডস রেস্তোরাঁয় প্রথম ‘কফি উইথ আ কপ’ ইভেন্ট আয়োজন করা হয়। পরবর্তীতে এই উদ্যোগ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ২০১৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দিবস বা ‘ন্যাশনাল ডে’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া জনপ্রিয়তা বর্তমানে এই দিবসটি কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ নেই।

বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে হাজার হাজার এমন ইভেন্ট নিয়মিত আয়োজিত হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রশাসনও এই ধারণাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। আজকের দিনে অনেকেই হ্যাশট্যাগ #CoffeeWithACop ব্যবহার করে পুলিশের সাথে কফি পানের ছবি বা ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। জনসাধারণ ও পুলিশের পারস্পরিক বিশ্বাস এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এই ধরণের ‘কমিউনিটি পুলিশিং’ উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

দুমকিতে ৩৯৭ জেলে পরিবার পেল বিশেষ ভিজিএফের চাল

আজ উদযাপিত হচ্ছে ‘পুলিশের সঙ্গে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন’

Update Time : 06:15:38 pm, Wednesday, 7 October 2026

আজ ৭ অক্টোবর, বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে একটি ব্যতিক্রমী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ দিবস ‘ন্যাশনাল কফি উইথ আ কপ ডে’। সহজ বাংলায় এটি ‘পুলিশের সাথে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন’ হিসেবে পরিচিত।

প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম বুধবার আন্তর্জাতিকভাবে এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। দূরত্ব ঘোচাতে এক কাপ কফি সাধারণ নাগরিক এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (পুলিশ) সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অনীহা, ভয় ও দূরত্বের দেয়াল ভেঙে ফেলাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক এজেন্ডা, দীর্ঘ বক্তৃতা বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সাধারণ মানুষ এই দিনে পুলিশের মুখোমুখি বসার সুযোগ পান।

এক কাপ কফির উষ্ণতায় খোলামেলা আড্ডা, আলোচনা এবং নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা ও সমস্যা নিয়ে সরাসরি কথা বলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। যেভাবে শুরু হয়েছিল এই আয়োজন দিবসটির সূচনা খুব বেশি দিন আগের নয়। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার হথর্ন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (Hawthorne Police Department) প্রথম এই অভিনব উদ্যোগটি গ্রহণ করে। তারা লক্ষ্য করেন, সাধারণ মানুষের সাথে পুলিশের যোগাযোগ কেবল জরুরি কোনো দুর্ঘটনা বা অপরাধের সময়ই ঘটে, যা এক ধরনের মানসিক দূরত্ব তৈরি করে।

এই দূরত্ব কমাতে স্থানীয় একটি ম্যাকডোনাল্ডস রেস্তোরাঁয় প্রথম ‘কফি উইথ আ কপ’ ইভেন্ট আয়োজন করা হয়। পরবর্তীতে এই উদ্যোগ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ২০১৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দিবস বা ‘ন্যাশনাল ডে’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া জনপ্রিয়তা বর্তমানে এই দিবসটি কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ নেই।

বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে হাজার হাজার এমন ইভেন্ট নিয়মিত আয়োজিত হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রশাসনও এই ধারণাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। আজকের দিনে অনেকেই হ্যাশট্যাগ #CoffeeWithACop ব্যবহার করে পুলিশের সাথে কফি পানের ছবি বা ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। জনসাধারণ ও পুলিশের পারস্পরিক বিশ্বাস এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এই ধরণের ‘কমিউনিটি পুলিশিং’ উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।