আজ মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
২১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
বজ্রসহ বৃষ্টি
৩৩°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৬%

কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকূলে জলদস্যু দমনে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:26:49 pm, Tuesday, 6 October 2026
  • 15

কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকূলে জলদস্যু দমনে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মাছ ধরার নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলদস্যু ও ডাকাতবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানিয়েছেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ এবং ডাকাত ও জলদস্যু দমনে বাহিনীটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সম্প্রতি কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ ও মাছ ধরার নৌযানে জলদস্যু ও ডাকাত চক্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে অপতৎপরতা প্রতিহত ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সার্বক্ষণিক টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড। আধুনিক সক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ ও উচ্চগতির স্পিডবোট দিয়ে নিয়মিত টহল পরিচালনার পাশাপাশি আধুনিক র‌্যাডার, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকূল ও সমুদ্রসীমায় চলাচলরত বিভিন্ন ধরনের জলযান এবং সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৫ অক্টোবর) দিনব্যাপী কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ ‘সবুজ বাংলা’, স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী ও কুতুবদিয়ার সদস্যরা দায়িত্বপূর্ণ সমুদ্র এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজ ও সমুদ্রে মাছ আহরণে নিয়োজিত জেলেদের ডাকাত ও জলদস্যুদের সম্ভাব্য হামলা থেকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং তাদের অপতৎপরতা প্রতিহত করা। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দেশের সমুদ্র, নৌপথ ও উপকূলীয় অঞ্চলকে ডাকাত ও জলদস্যুমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে ব্রিফিং দেন কোস্ট গার্ড বেইস কক্সবাজারের নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন (ট্যাজ), বিএন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

দীর্ঘ ৮ মাস পর ফের ইউরিয়া উৎপাদনে ফিরল যমুনা সার কারখানা

কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকূলে জলদস্যু দমনে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান

Update Time : 01:26:49 pm, Tuesday, 6 October 2026

কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মাছ ধরার নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলদস্যু ও ডাকাতবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানিয়েছেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ এবং ডাকাত ও জলদস্যু দমনে বাহিনীটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সম্প্রতি কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ ও মাছ ধরার নৌযানে জলদস্যু ও ডাকাত চক্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে অপতৎপরতা প্রতিহত ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সার্বক্ষণিক টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড। আধুনিক সক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ ও উচ্চগতির স্পিডবোট দিয়ে নিয়মিত টহল পরিচালনার পাশাপাশি আধুনিক র‌্যাডার, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকূল ও সমুদ্রসীমায় চলাচলরত বিভিন্ন ধরনের জলযান এবং সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৫ অক্টোবর) দিনব্যাপী কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ ‘সবুজ বাংলা’, স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী ও কুতুবদিয়ার সদস্যরা দায়িত্বপূর্ণ সমুদ্র এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজ ও সমুদ্রে মাছ আহরণে নিয়োজিত জেলেদের ডাকাত ও জলদস্যুদের সম্ভাব্য হামলা থেকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং তাদের অপতৎপরতা প্রতিহত করা। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দেশের সমুদ্র, নৌপথ ও উপকূলীয় অঞ্চলকে ডাকাত ও জলদস্যুমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে ব্রিফিং দেন কোস্ট গার্ড বেইস কক্সবাজারের নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন (ট্যাজ), বিএন।