নতুন নিরাপত্তা হুমকির পর যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ারফোর্স ঘাঁটি ফেয়ারফোর্ড থেকে সব দূরপাল্লার বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘাঁটিটিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহৃত মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান মোতায়েন ছিল।
সূত্র : সিএনএন। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানান, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকা সব মার্কিন বোমারু বিমান এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরে গেছে। তবে কেন বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা ঘটনাটিকে ‘বাস্তব বিশ্বের ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, হুমকিটি গুরুতর।
সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে বিমানগুলো অন্য কোনো আঞ্চলিক ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু এবার সব বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়াকে অস্বাভাবিক বলছেন সংশ্লিষ্টরা। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যালেক্স প্লিটসাসের ধারণা, ফেয়ারফোর্ডে কয়েক ডজন বোমারু বিমান ছিল। তার মতে, সব বিমান একসঙ্গে সরিয়ে নেওয়া ঘাঁটির বিরুদ্ধে হুমকির গুরুত্ব ও বিশ্বাসযোগ্যতার ইঙ্গিত দেয়।
বিমান সরানোর ঘটনা এমন একসময় ঘটল, যখন ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে হামলার কথিত ইরানি ষড়যন্ত্র নিয়ে যুক্তরাজ্যে তদন্ত চলছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই ঘাঁটির কাছে সন্ত্রাসবাদ ও বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অভিযোগে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জামিন পান তারা। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার ২৫ বছর বয়সি এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, এ ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এতে কোনো বিদেশি পক্ষের হাত থাকার কথা বলেছেন। তবে ইরান অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে ভিত্তিহীন দাবি করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে তেহরানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলবও করা হয়েছে।





















