ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের ছেলে বাদী হয়ে নিজের বাবার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত লালু দাস (৫০) ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ভূল্লী থানার শবদল এলাকায় বসবাস করেন। তার ছেলে ও মামলার বাদী পাপ্পু দাস (২৮) পেশায় ঝাড়ুদার। ভুক্তভোগী নারী লিমা (২৫) তার স্ত্রী। এজাহারে পাপ্পু দাস অভিযোগ করেন, গত ৪ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে তিনি ও তার মা ময়না দাস ঝাড়ু দেওয়ার কাজে বালিয়া বাজারে যান।
এ সময় বাড়িতে তার বাবা লালু দাস ও স্ত্রী লিমা ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সকাল ৮টার দিকে লিমা হাত-পা ধোয়ার জন্য বাড়ির পশ্চিম পাশে থাকা টিউবওয়েলের কাছে গেলে লালু দাস তার পিছু নেন। সেখানে পেছন থেকে জাপটে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় লিমা চিৎকার করার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত তার মুখ চেপে ধরেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
একপর্যায়ে লিমা অভিযুক্তের হাতে কামড় দিলে তিনি তাকে ছেড়ে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। পরে পাপ্পু দাস ও তার মা বাড়িতে ফিরে এলে লিমা তাদের কাছে ঘটনাটি জানান। বিষয়টি স্বজনদের অবহিত করার পর পাপ্পু দাস বাদী হয়ে ভূল্লী থানায় তার বাবার বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।






















