সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ায় এখন সাজসাজ রব বিরাজ করছে। জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জার প্রস্তুতি। কোথাও প্রতিমার গায়ে রঙের শেষ আঁচড় পড়ছে, আবার কোথাও চলছে প্যান্ডেল সাজানোর কাজ।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলায় ২৫৮ পূজাম-পে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৭৯, ভেড়ামারায় ১১, মিরপুরে ৩১, কুমারখালীতে ৬১, খোকসায় ৬১ ও দৌলতপুর উপজেলায় ১৫টি ম-প রয়েছে। শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী, এবার দেবীর আগমন ঘটবে ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন হবে নৌকায়। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট কুষ্টিয়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হ্যাপি সাহা বলেন, ‘সবার সহযোগিতায় এবং ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণে এই উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা রাখি।
দুর্গাপূজা সবার মাঝে সম্প্রীতি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসবেÑ এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। ’ এদিকে পূজার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান নিজ নিজ পূজাম-পে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে এবং সরকারি সব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীর আগমনী বার্তা ও তর্পণের সূচনা হবে।
এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী (বোধন ও অধিবাস), ১৭ ও ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটবে পাঁচ দিনব্যাপী এই শারদীয় উৎসবের।





















