জাপানের তরুণ ও কর্মক্ষম জনবলের ঘাটতি পূরণে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘জাপান-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ সেমিনার ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জাপানে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশে রয়েছে বিপুলসংখ্যক তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী। এই জনমিতিক বাস্তবতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য জাপানের বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। তিনি বলেন, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে একদিকে বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে জাপানের দক্ষ জনবলের চাহিদাও পূরণে সহায়ক হবে।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেলে বাংলাদেশি তরুণদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা দেশটির সেবা, নির্মাণ, কৃষি ও অন্যান্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন। জাপানি ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থানে ভাষাগত দক্ষতা একটি বড় পূর্বশর্ত। তাই জাপানি ভাষা শিক্ষার প্রসারে প্রয়োজন হলে বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সেমিনারে জাপানের প্রতিনিধিরা জানান, দেশটিতে কনস্ট্রাকশন, কৃষি, ড্রাইভিং ও নার্সিংসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশের মতো তরুণ জনগোষ্ঠী জাপানে না থাকায় এসব খাতে বাংলাদেশ থেকে প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তারা জাপানে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি তরুণদের জাপানি ভাষা শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।






















