সরকারি খালে বাঁধ নির্মাণ ও এক যুবককে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে আটকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে রূপালী বাংলাদেশ-এর অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বহিষ্কার করা হয়েছে বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন মোল্লাকে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ প্রকাশের পরদিন রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়। রোববার কোটালীপাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রঞ্জন মল্লিক ও সদস্যসচিব মো. মান্নান শেখ স্বাক্ষরিত এক আদেশে সুজন মোল্লাকে বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। আদেশে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগকে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার দুপুরে রূপালী বাংলাদেশ-এর অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘সরকারি খালে বাঁধ, যুবককে আটকে টাকা নেয়ার অভিযোগ যুবদলের ২ নেতার বিরুদ্ধে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সুজন মোল্লা ও বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের প্রস্তাবিত দপ্তর সম্পাদক নাজমুল মোল্লার বিরুদ্ধে তুলাতলা এলাকার একটি সরকারি খালে বাঁধ নির্মাণ এবং রিফাত বিশ্বাস নামে এক যুবককে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে আটকে রেখে ১০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের পরদিনই সুজন মোল্লার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের একাধিক সূত্র জানায়, সুজন মোল্লার বিরুদ্ধে এবারই প্রথম সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে একই পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
পরে ৪ এপ্রিল ওই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়। পুনর্বহালের প্রায় পাঁচ মাসের মাথায় আবারও বহিষ্কৃত হলেন তিনি। কোটালীপাড়া উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. মান্নান শেখ বলেন, ‘সুজন মোল্লার বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।



















