অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও অশোভন আচরণের অভিযোগ তুলে চাঁদপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় চাঁদপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টুর সভাপতিত্বে সংগঠনের নেতা ও আইনজীবীরা বক্তব্য দেন। সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথা থাকলেও বিচারকরা আমাদের সেই কাজে বাধা দিয়েছেন।
যে কারণে আমাদের এই আন্দোলন। যতক্ষণ পর্যন্ত এই আন্দোলনের সমাধান না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের জেলা আইনজীবী সমিতির এই আন্দোলন চলবে। তাই আগামীকালও বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করলাম। তিনি বলেন, আইনজীবী বন্ধুরা আপনারা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সফল করবেন। আমরা ছাত্র আন্দোলন করেছি। সেখানে থেকে আজকে আমরা এ পর্যায়ে পৌঁছেছি। আন্দোলন কীভাবে করতে হয়, সেটি আমাদের জানা আছে।
আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। বিক্ষোভ মিছিল পূর্বে আরও বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সাল, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট বাবর বেপারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জসিম মেহেদী প্রমুখ। পরে উপস্থিত আইনজীবীদের অংশগ্রহনে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদালত ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর ও ১৪ সেপ্টেম্বর তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা। তারও আগে ৯ সেপ্টেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে প্রায় সাড়ে চারশ আইনজীবীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত জরুরি সাধারণ সভায় তিন বিচারকের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদালত বর্জনের সিদ্ধান্তে থাকা তিন বিচারক হলেন, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১-এর বিচারক পলাশ বর্ধন এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক শম্পা ইসলাম।


















