আজ মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
১০ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৮%

সরকারি হাসপাতালের রোগী রেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:46:55 pm, Tuesday, 25 August 2026
  • 8

সরকারি হাসপাতালের রোগী রেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি হাসপাতালের রোগী রেখে পাশের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে ডা. মোর্শেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এ সময় স্থানীয়রা তাকে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে আটক করেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সেখান থেকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীদের অভিযোগ, ওই সময় ডা. মোর্শেদুল ইসলামের সরকারি হাসপাতালে রোগী দেখার কথা ছিল।

তার কাছে চিকিৎসা নিতে কয়েকজন রোগী অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় একটি ফোন পেয়ে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যান। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পার হলেও তিনি হাসপাতালে ফিরে না আসায় অপেক্ষমাণ রোগীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ইয়াসমিন নামের এক রোগী বলেন, ডাক্তারের কাছে দেখানোর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তিনি ফোন পেয়ে উঠে চলে যান।

এরপর প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তাকে পাইনি। এদিকে স্থানীয়রা খোঁজ নিয়ে হাসপাতালের পাশের ‘দি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ গিয়ে ডা. মোর্শেদুল ইসলামকে রোগী দেখতে পান বলে দাবি করেন। সেখানে করিমুন্নেসা নামের এক রোগী তার কাছে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। স্থানীয় সিফাত হোসেন বলেন, দুপুর ১২টার সময় তার সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের কথা।

কিন্তু তাকে পাশের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখতে দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়। পরে আক্কেলপুর থানা পুলিশের সদস্য ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ডা. মোর্শেদুল ইসলামকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। এ বিষয়ে জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন আল মামুন বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি।

বিষয়টি তদন্ত করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযোগের বিষয়ে ডা. মোর্শেদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য প্রেরণার উৎস হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারি হাসপাতালের রোগী রেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

Update Time : 06:46:55 pm, Tuesday, 25 August 2026

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি হাসপাতালের রোগী রেখে পাশের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে ডা. মোর্শেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এ সময় স্থানীয়রা তাকে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে আটক করেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সেখান থেকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীদের অভিযোগ, ওই সময় ডা. মোর্শেদুল ইসলামের সরকারি হাসপাতালে রোগী দেখার কথা ছিল।

তার কাছে চিকিৎসা নিতে কয়েকজন রোগী অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় একটি ফোন পেয়ে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যান। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পার হলেও তিনি হাসপাতালে ফিরে না আসায় অপেক্ষমাণ রোগীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ইয়াসমিন নামের এক রোগী বলেন, ডাক্তারের কাছে দেখানোর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তিনি ফোন পেয়ে উঠে চলে যান।

এরপর প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তাকে পাইনি। এদিকে স্থানীয়রা খোঁজ নিয়ে হাসপাতালের পাশের ‘দি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ গিয়ে ডা. মোর্শেদুল ইসলামকে রোগী দেখতে পান বলে দাবি করেন। সেখানে করিমুন্নেসা নামের এক রোগী তার কাছে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। স্থানীয় সিফাত হোসেন বলেন, দুপুর ১২টার সময় তার সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের কথা।

কিন্তু তাকে পাশের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখতে দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়। পরে আক্কেলপুর থানা পুলিশের সদস্য ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ডা. মোর্শেদুল ইসলামকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। এ বিষয়ে জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন আল মামুন বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি।

বিষয়টি তদন্ত করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযোগের বিষয়ে ডা. মোর্শেদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।