আজ বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৮%

স্বামীকে হত্যার পর টুকরো করে পাতিলে রাখার মামলায় স্ত্রীর ফাঁসির আদেশ

  • MIT ERP
  • Update Time : 04:05:59 pm, Wednesday, 19 August 2026
  • 8

স্বামীকে হত্যার পর টুকরো করে পাতিলে রাখার মামলায় স্ত্রীর ফাঁসির আদেশ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভোলার সদর উপজেলার আলীনগরে স্বামী ফরহাদ হোসেন টিটব মুন্সিকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে পাতিলে রাখার আলোচিত ঘটনার মামলায় স্ত্রী নুরনাহার বেগমকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। জানা গেছে, ঘটনার আগের রাতে টিটব তার দ্বিতীয় স্ত্রী নুরনাহার বেগমের বাড়িতে যান। পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে টিটব ঘুমিয়ে পড়লে নুরনাহার তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে মরদেহের হাত-পা টুকরো করে একটি পাতিলে রাখেন। সকালে স্থানীয়রা নুরনাহারকে রক্তাক্ত দা হাতে ঘরের সামনে বসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে। ওই সময় পুলিশ জানিয়েছিল, নিহত টিটব মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বিরোধ ও মারামারি হতো। পারিবারিক কলহের জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরনাহার এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল। ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডটি ভোলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

আমি পেশাদার চোর নই, চিরকুট লিখে গ্যাস সিলিন্ডার ফেরত দিল চোর

স্বামীকে হত্যার পর টুকরো করে পাতিলে রাখার মামলায় স্ত্রীর ফাঁসির আদেশ

Update Time : 04:05:59 pm, Wednesday, 19 August 2026

ভোলার সদর উপজেলার আলীনগরে স্বামী ফরহাদ হোসেন টিটব মুন্সিকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে পাতিলে রাখার আলোচিত ঘটনার মামলায় স্ত্রী নুরনাহার বেগমকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। জানা গেছে, ঘটনার আগের রাতে টিটব তার দ্বিতীয় স্ত্রী নুরনাহার বেগমের বাড়িতে যান। পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে টিটব ঘুমিয়ে পড়লে নুরনাহার তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে মরদেহের হাত-পা টুকরো করে একটি পাতিলে রাখেন। সকালে স্থানীয়রা নুরনাহারকে রক্তাক্ত দা হাতে ঘরের সামনে বসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে। ওই সময় পুলিশ জানিয়েছিল, নিহত টিটব মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বিরোধ ও মারামারি হতো। পারিবারিক কলহের জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরনাহার এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল। ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডটি ভোলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়েছে।