ভারতের উত্তরাখণ্ডে ফের টানেল ধসের ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চামোলি জেলার মায়াপুর এলাকায় একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলাকালে টানেলের একটি অংশে আকস্মিক ধস নামে।
এ সময় টানেলের ভেতরে জল ও কাদার স্রোত ঢুকে একটি অংশ বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় টানেলের ভেতরে অন্তত ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গেছে। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। পরে ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ১৪ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার পরপরই আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে উদ্ধারকারী দল।
টানেলের ভেতরে জল ও কাদা জমে যাওয়ায় উদ্ধারকাজে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। এই দুর্ঘটনা প্রায় তিন বছর আগের সিল্কিয়ারা-বারকোট টানেল ধসের স্মৃতি আবারও সামনে এনেছে। ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর উত্তরকাশীর ওই টানেলে ধসের পর ৪১ শ্রমিক ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। দীর্ঘ ১৭ দিনের উদ্ধার অভিযানের পর তাঁদের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সিল্কিয়ারা দুর্ঘটনার তিন বছরেরও কম সময়ের মধ্যে চামোলিতে ফের টানেল ধসের ঘটনায় উত্তরাখণ্ডে নির্মাণকাজের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় টানেল নির্মাণের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর, তা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।















