গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের সাম্প্রতিক অবস্থান বর্তমান সরকারের একটি কূটনৈতিক সফলতার প্রতিফলন। শুক্রবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে আবু হানিফ বলেন, বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চেয়ে একটি চিঠি পাঠায়।
এর জবাবে ভারত জানায়, বাংলাদেশের পাঠানো প্রত্যর্পণ অনুরোধ দেশটির প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে এবং বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভারতের লোকসভায় উপস্থাপিত পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার সংসদীয় কমিটিকে এ তথ্য জানিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। আবু হানিফের ভাষ্য মতে, শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত সরকারের এ অবস্থান মূলত বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই স্পষ্ট হয়েছে। তাই তিনি এটিকে বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখছেন। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন।
এরপর থেকে তিনি সেখান থেকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার নানা ষড়যন্ত্রে যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আবু হানিফ। তিনি লেখেন, ভারত যেহেতু জানিয়েছে শেখ হাসিনা দেশটির মাটি ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না, তাই এখন দেখার বিষয়—এই অবস্থানের বাস্তব প্রতিফলন ঘটে কি না এবং শেখ হাসিনার কথিত রাজনৈতিক তৎপরতা বন্ধ হয় কি না।




















