7:21 pm, Thursday, 30 July 2026

গ্রাহকের উদ্বেগ দূর করতে গ্রামীণফোনের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:02:55 pm, Thursday, 30 July 2026
  • 3
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছাতে হবে। নারী, তরুণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠী এবং অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন সমানভাবে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে অংশ নিতে পারে এবং এর সুফল ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আজ রাজধানীর বনানীতে শেরাটন ঢাকায় গ্রামীণফোন আয়োজিত “Digital Inclusion for Marginalized Communities – Phase II” কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে অর্থবহ ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি দেশের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় যেন কোনো অঞ্চল পিছিয়ে না পড়ে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যোগাযোগসেবার সহজপ্রাপ্যতা অপরিহার্য। টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম মোবাইল অপারেটরদের কল ড্রপ, নেটওয়ার্কের মান এবং ভয়েস ও ডাটা প্যাকেজের মূল্যসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গ্রাহকদের প্রত্যাশা ও স্বার্থকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মন্ত্রী গ্রামীণফোনের “Digital Inclusion for Marginalized Communities – Phase II” কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

ভারত সফরে যাচ্ছেন বিসিবির সভাপতি তামিম

গ্রাহকের উদ্বেগ দূর করতে গ্রামীণফোনের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান

Update Time : 06:02:55 pm, Thursday, 30 July 2026

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছাতে হবে। নারী, তরুণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠী এবং অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন সমানভাবে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে অংশ নিতে পারে এবং এর সুফল ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আজ রাজধানীর বনানীতে শেরাটন ঢাকায় গ্রামীণফোন আয়োজিত “Digital Inclusion for Marginalized Communities – Phase II” কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে অর্থবহ ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি দেশের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় যেন কোনো অঞ্চল পিছিয়ে না পড়ে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যোগাযোগসেবার সহজপ্রাপ্যতা অপরিহার্য। টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম মোবাইল অপারেটরদের কল ড্রপ, নেটওয়ার্কের মান এবং ভয়েস ও ডাটা প্যাকেজের মূল্যসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গ্রাহকদের প্রত্যাশা ও স্বার্থকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মন্ত্রী গ্রামীণফোনের “Digital Inclusion for Marginalized Communities – Phase II” কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।