নারায়ণগঞ্জে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ ২১ জনকে আসামি করা হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এই মামলায় আরো এক হাজার থেকে দেড় হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোরে ফতুল্লা মডেল থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম। মামলায় আসামিদের মধ্যে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল (৪৮), সদস্য মজিবর রহমান (৪৬), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি টিপু সুলতান (৪০), যুবলীগ নেতা আজমত আলী (৪৫), মোফাজ্জল হোসেন চুন্নু (৪৫) ও রাকিব হোসেনের (২৮) নাম রয়েছে।
এজাহারে এসআই মিলন ফকির উল্লেখ করেছেন, সরকার উৎখাতসহ দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উস্কানি দিয়ে বেতন বৃদ্ধির নামে বিভিন্ন গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকদের সংগঠিত করেছেন। বেলা আড়াইটার দিকে কয়েকটি পোশাক কারখানার এক থেকে দেড় হাজার শ্রমিককে নিয়ে তারা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করে।
আন্দোলনকারীরা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বারবার তাদের নিবৃত করার চেষ্টা করা হলেও বাধা উপেক্ষা করে ‘বিক্ষুব্ধ শ্রমিক ও তাদের উস্কানিদাতারা’ পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছুড়ে মারলে দু’জন পুলিশ সদস্য আহত। পুলিশও তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ৮৩ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।





















