আজ সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬%

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন শিক্ষাবিদ রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:26:57 pm, Monday, 12 October 2026
  • 12

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন শিক্ষাবিদ রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অনুসামষ্টিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২৬ সালে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দুই মার্কিন শিক্ষাবিদ রবার্ট হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। সোমবার রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস এ পুরস্কার ঘোষণা করে।

মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আলফ্রেড নোবেলের স্মৃতিতে অর্থনীতিতে স্ভেরিজেস রিকসব্যাঙ্ক পুরস্কার’ নামে পরিচিত। চলতি বছরে প্রদান করা পুরস্কারগুলোর মধ্যে এটিই সর্বশেষ এবং এর মূল্যমান ১২ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, দুই নোবেলজয়ী এমন নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করেছেন যা কার্যকর স্থিতিশীলতা নীতি বাস্তবায়নে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এটি সময়োপযোগী রাজস্ব ও আর্থিক নীতি গ্রহণে সহায়তা করে, যা অর্থনীতির ক্ষতিকর ওঠানামার তীব্রতা কমাতে পারে।

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হ্যাসলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নোবেলজয়ীদের কাজ আমাদের এমন কিছু মডেলের জন্য একটি স্থায়ী তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রদান করেছে, যা এখন বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকারগুলো ব্যবহার করছে।’

তিনি বলেন, ‘তাদের এই কাজের ফলে আমরা জ্বালানি সংকট বা পরিবারগুলোর হঠাৎ ভোগ বা খরচের পরিবর্তন অনুসন্ধানের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কাগুলো মোকাবেলায় আরও ভালোভাবে প্রস্তুত।’

১৯৬৯ সালে প্রথম প্রদান করা অর্থনীতির এই পুরস্কারটি শিল্পপতি ও ডিনামাইটের উদ্ভাবক আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালের উইলে তৈরি মূল পাঁচটি পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত ছিল না; বরং এটি সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক চালু করেছিল।

পূর্ববর্তী বিজয়ীদের অধিকাংশই ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এ পর্যন্ত মাত্র তিনজন নারী এই পুরস্কার পেয়েছেন, যাদের মধ্যে সর্বশেষ ২০২৩ সালে ক্লাউডিয়া গোল্ডিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সময়ের সাথে কীভাবে লিঙ্গভিত্তিক বেতন ও কর্মসংস্থান প্রভাবিত হয়েছে তা নিয়ে কাজের জন্য পুরস্কারটি পান।

ক্ল্যারিভেটের অন্তর্ভুক্ত ইনস্টিটিউট ফর সাইন্টিফিক ইনফরমেশন-এর বিশ্লেষণে আর্থিক নীতি, তথ্যপ্রযুক্তির অর্থনীতি এবং বিবর্তনীয় অর্থনৈতিক তত্ত্ব নিয়ে কাজ করা গবেষকদের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে ধারণা করা হয়েছিল।

গত বছরের বিজয়ী জোয়েল মোকির, ফিলিপ অ্যাঘিয়ন এবং পিটার হাউইট সৃজনশীল ধ্বংস এবং কীভাবে নতুন প্রযুক্তি ও উৎপাদন পদ্ধতি প্রবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে—তা নিয়ে গবেষণার জন্য পুরস্কারটি জিতেছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

নারীদের উপেক্ষা করে দেশ ও সমাজের উন্নতি অসম্ভব: এমপি বাবুল

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন শিক্ষাবিদ রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড

Update Time : 06:26:57 pm, Monday, 12 October 2026

সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অনুসামষ্টিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২৬ সালে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দুই মার্কিন শিক্ষাবিদ রবার্ট হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। সোমবার রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস এ পুরস্কার ঘোষণা করে।

মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আলফ্রেড নোবেলের স্মৃতিতে অর্থনীতিতে স্ভেরিজেস রিকসব্যাঙ্ক পুরস্কার’ নামে পরিচিত। চলতি বছরে প্রদান করা পুরস্কারগুলোর মধ্যে এটিই সর্বশেষ এবং এর মূল্যমান ১২ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, দুই নোবেলজয়ী এমন নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করেছেন যা কার্যকর স্থিতিশীলতা নীতি বাস্তবায়নে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এটি সময়োপযোগী রাজস্ব ও আর্থিক নীতি গ্রহণে সহায়তা করে, যা অর্থনীতির ক্ষতিকর ওঠানামার তীব্রতা কমাতে পারে।

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হ্যাসলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নোবেলজয়ীদের কাজ আমাদের এমন কিছু মডেলের জন্য একটি স্থায়ী তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রদান করেছে, যা এখন বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকারগুলো ব্যবহার করছে।’

তিনি বলেন, ‘তাদের এই কাজের ফলে আমরা জ্বালানি সংকট বা পরিবারগুলোর হঠাৎ ভোগ বা খরচের পরিবর্তন অনুসন্ধানের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কাগুলো মোকাবেলায় আরও ভালোভাবে প্রস্তুত।’

১৯৬৯ সালে প্রথম প্রদান করা অর্থনীতির এই পুরস্কারটি শিল্পপতি ও ডিনামাইটের উদ্ভাবক আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালের উইলে তৈরি মূল পাঁচটি পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত ছিল না; বরং এটি সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক চালু করেছিল।

পূর্ববর্তী বিজয়ীদের অধিকাংশই ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এ পর্যন্ত মাত্র তিনজন নারী এই পুরস্কার পেয়েছেন, যাদের মধ্যে সর্বশেষ ২০২৩ সালে ক্লাউডিয়া গোল্ডিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সময়ের সাথে কীভাবে লিঙ্গভিত্তিক বেতন ও কর্মসংস্থান প্রভাবিত হয়েছে তা নিয়ে কাজের জন্য পুরস্কারটি পান।

ক্ল্যারিভেটের অন্তর্ভুক্ত ইনস্টিটিউট ফর সাইন্টিফিক ইনফরমেশন-এর বিশ্লেষণে আর্থিক নীতি, তথ্যপ্রযুক্তির অর্থনীতি এবং বিবর্তনীয় অর্থনৈতিক তত্ত্ব নিয়ে কাজ করা গবেষকদের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে ধারণা করা হয়েছিল।

গত বছরের বিজয়ী জোয়েল মোকির, ফিলিপ অ্যাঘিয়ন এবং পিটার হাউইট সৃজনশীল ধ্বংস এবং কীভাবে নতুন প্রযুক্তি ও উৎপাদন পদ্ধতি প্রবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে—তা নিয়ে গবেষণার জন্য পুরস্কারটি জিতেছিলেন।