আজ রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
১৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৭১%

পটিয়ায় ফায়ার সার্ভিসের নির্দেশনা অমান্য করে চলছে হেলে পড়া ভবনের নির্মাণকাজ

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:13:36 am, Saturday, 3 October 2026
  • 20

পটিয়ায় ফায়ার সার্ভিসের নির্দেশনা অমান্য করে চলছে হেলে পড়া ভবনের নির্মাণকাজ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

পটিয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নির্দেশনা অমান্য করে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটি পাশের এমএস টাওয়ারের দিকে হেলে পড়েছে।

এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া পৌরসভার মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমএস টাওয়ারের পাশে নির্মাণাধীন ভবনটি স্থানীয়ভাবে ‘মনির টাওয়ার’ নামে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার অনুমোদিত নকশা ও সয়েল টেস্টের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই ভবনটির নির্মাণকাজ চলছে। ভবনটির নির্মাণকাজ বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর পটিয়া ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন আতিকুর রহমান।

অভিযোগে বলা হয়, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আগ্রাবাদে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা সরেজমিনে ভবনটি পরিদর্শন করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে লালপতাকা দেন। অভিযোগকারীর দাবি, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার পরও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

‎ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রাজেশ বড়ুয়া ভবনটি পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এরই মধ্যে ভবনটি পরিদর্শন করে লালপতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংস্লিষ্ট দপ্তরে আমরা চিঠি দিয়েছে। আশা করি তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অভিযোগকারী আতিকুর রহমান বলেন, ভবনটি পাশের স্থাপনা কিংবা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ওপর ধসে পড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে ভবনটির মালিক মনির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এবং ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ নয়। ইউএনও ফারহানুর রহমান বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ভবনটির নির্মাণকাজ, ফায়ার সার্ভিসের নির্দেশনা এবং ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

দ্রুত তদন্ত করে ভবনটির প্রকৃত ঝুঁকি নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাটাখালি খালে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

পটিয়ায় ফায়ার সার্ভিসের নির্দেশনা অমান্য করে চলছে হেলে পড়া ভবনের নির্মাণকাজ

Update Time : 01:13:36 am, Saturday, 3 October 2026

পটিয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নির্দেশনা অমান্য করে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটি পাশের এমএস টাওয়ারের দিকে হেলে পড়েছে।

এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া পৌরসভার মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমএস টাওয়ারের পাশে নির্মাণাধীন ভবনটি স্থানীয়ভাবে ‘মনির টাওয়ার’ নামে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার অনুমোদিত নকশা ও সয়েল টেস্টের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই ভবনটির নির্মাণকাজ চলছে। ভবনটির নির্মাণকাজ বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর পটিয়া ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন আতিকুর রহমান।

অভিযোগে বলা হয়, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আগ্রাবাদে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা সরেজমিনে ভবনটি পরিদর্শন করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে লালপতাকা দেন। অভিযোগকারীর দাবি, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার পরও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

‎ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রাজেশ বড়ুয়া ভবনটি পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এরই মধ্যে ভবনটি পরিদর্শন করে লালপতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংস্লিষ্ট দপ্তরে আমরা চিঠি দিয়েছে। আশা করি তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অভিযোগকারী আতিকুর রহমান বলেন, ভবনটি পাশের স্থাপনা কিংবা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ওপর ধসে পড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে ভবনটির মালিক মনির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এবং ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ নয়। ইউএনও ফারহানুর রহমান বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ভবনটির নির্মাণকাজ, ফায়ার সার্ভিসের নির্দেশনা এবং ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

দ্রুত তদন্ত করে ভবনটির প্রকৃত ঝুঁকি নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।