আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯২%

অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ মন্তব্যকারী সালথার ইউপি চেয়ারম্যানকে শোকজ

  • MIT ERP
  • Update Time : 02:09:59 pm, Thursday, 24 September 2026
  • 12

অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ মন্তব্যকারী সালথার ইউপি চেয়ারম্যানকে শোকজ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’—এমন বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে এ নোটিশ দেন। নোটিশের জবাব দিতে তাকে পাঁচ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’—এমন বক্তব্য দিতে দেখা যায়।

এ বক্তব্যের কারণে এলাকায় চাঞ্চল্য ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। এ ধরনের বক্তব্য স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ বা রাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য হানিকর কার্যকলাপ, অসদাচরণ কিংবা নৈতিক স্খলনজনিত শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় পড়ে কি না—তা ব্যাখ্যা করতে চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, ‘চেয়ারম্যানের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে যে বক্তব্য রয়েছে, সেটি গুরুতর বিষয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককেও অবহিত করা হয়েছে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে পাঠানো হবে।

’ সম্প্রতি সালথার উজিরপুর বাজারে আয়োজিত একটি সভায় চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে ওই বক্তব্য দিতে শোনা যায় বলে অভিযোগ ওঠে। বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, ভিডিওটি এডিট করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

বাংলাদেশে মেটার কার্যালয় খোলার আমন্ত্রণ জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ মন্তব্যকারী সালথার ইউপি চেয়ারম্যানকে শোকজ

Update Time : 02:09:59 pm, Thursday, 24 September 2026

অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’—এমন বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে এ নোটিশ দেন। নোটিশের জবাব দিতে তাকে পাঁচ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’—এমন বক্তব্য দিতে দেখা যায়।

এ বক্তব্যের কারণে এলাকায় চাঞ্চল্য ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। এ ধরনের বক্তব্য স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ বা রাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য হানিকর কার্যকলাপ, অসদাচরণ কিংবা নৈতিক স্খলনজনিত শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় পড়ে কি না—তা ব্যাখ্যা করতে চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, ‘চেয়ারম্যানের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে যে বক্তব্য রয়েছে, সেটি গুরুতর বিষয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককেও অবহিত করা হয়েছে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে পাঠানো হবে।

’ সম্প্রতি সালথার উজিরপুর বাজারে আয়োজিত একটি সভায় চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে ওই বক্তব্য দিতে শোনা যায় বলে অভিযোগ ওঠে। বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, ভিডিওটি এডিট করা হয়েছে।