আজ রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১৪%

উচ্চ সুদেও শতভাগ ঋণ আদায় ও হাজার কোটি টাকার উদ্বৃত্ত তহবিলে এনজিও খাত

  • MIT ERP
  • Update Time : 08:38:58 pm, Friday, 18 September 2026
  • 17

উচ্চ সুদেও শতভাগ ঋণ আদায় ও হাজার কোটি টাকার উদ্বৃত্ত তহবিলে এনজিও খাত

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দেশের ব্যাংকিং খাতের গভীর সংকটে মানুষের আস্থাহীনতা যখন তলানিতে, ঠিক তখন উল্টো চিত্র ক্ষুদ্র ঋণভিত্তিক এনজিওগুলোতে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রায় শতভাগ ঋণ আদায়ের কারণে উচ্চ সুদের মধ্যেও দেশের শীর্ষ এনজিওগুলোতে বছরের পর বছর ধরে জমেছে কয়েক হাজার কোটি টাকার উদ্বৃত্ত তহবিল।

মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত তহবিল রয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা-আশার হাতে। এর পর দ্বিতীয় ব্র্যাক এবং তৃতীয় ব্যুরো বাংলাদেশ। এছাড়া সাজেদা ফাউন্ডেশন, সিদীপ, প্রত্যাশী, পদক্ষেপ ও সিএসএস’র প্রত্যেকের ৪০০ কোটির বেশি উদ্বৃত্ত।

শুধু উদ্বৃত্ত নয়, ঋণ বিতরণেও এগিয়ে রয়েছে দেশের বড় বড় এনজিওগুলো। সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে ব্র্যাক, যার পরিমাণ ৪৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি।

ব্যুরো বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেনের মতে, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ আদায়ে তৎপরতা বেশি থাকায় খেলাপির চেয়ে এ খাতে সাফল্যই বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্রঋণ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করলেও এর সুফল যেন শুধু প্রতিষ্ঠানের তহবিলে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেজন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

এদিকে আয়কর আইন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম থেকে অর্জিত সুদ ও সার্ভিস চার্জ করমুক্ত। ফলে করপোরেট কর দিতে হয় না তাদের।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত চালুর দাবি

উচ্চ সুদেও শতভাগ ঋণ আদায় ও হাজার কোটি টাকার উদ্বৃত্ত তহবিলে এনজিও খাত

Update Time : 08:38:58 pm, Friday, 18 September 2026

দেশের ব্যাংকিং খাতের গভীর সংকটে মানুষের আস্থাহীনতা যখন তলানিতে, ঠিক তখন উল্টো চিত্র ক্ষুদ্র ঋণভিত্তিক এনজিওগুলোতে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রায় শতভাগ ঋণ আদায়ের কারণে উচ্চ সুদের মধ্যেও দেশের শীর্ষ এনজিওগুলোতে বছরের পর বছর ধরে জমেছে কয়েক হাজার কোটি টাকার উদ্বৃত্ত তহবিল।

মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত তহবিল রয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা-আশার হাতে। এর পর দ্বিতীয় ব্র্যাক এবং তৃতীয় ব্যুরো বাংলাদেশ। এছাড়া সাজেদা ফাউন্ডেশন, সিদীপ, প্রত্যাশী, পদক্ষেপ ও সিএসএস’র প্রত্যেকের ৪০০ কোটির বেশি উদ্বৃত্ত।

শুধু উদ্বৃত্ত নয়, ঋণ বিতরণেও এগিয়ে রয়েছে দেশের বড় বড় এনজিওগুলো। সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে ব্র্যাক, যার পরিমাণ ৪৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি।

ব্যুরো বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেনের মতে, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ আদায়ে তৎপরতা বেশি থাকায় খেলাপির চেয়ে এ খাতে সাফল্যই বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্রঋণ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করলেও এর সুফল যেন শুধু প্রতিষ্ঠানের তহবিলে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেজন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

এদিকে আয়কর আইন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম থেকে অর্জিত সুদ ও সার্ভিস চার্জ করমুক্ত। ফলে করপোরেট কর দিতে হয় না তাদের।