আজ বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
২৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩৪°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

চাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পর্শে দগ্ধ শিশুর পাঁচ দিন পর মৃত্যু, অপরজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:58:30 am, Thursday, 8 October 2026
  • 12
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাকরোডে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসে বিদ্যুৎস্পর্শে দগ্ধ দুই শিশুর মধ্যে মো. রাব্বি (৪) নামে এক শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর মারা গেছে। একই দুর্ঘটনায় দগ্ধ অপর শিশু ফাইজা আক্তারের (৬) অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন শিশুর সম্পর্কে খালা ইয়াছমিন আক্তার। তিনি বলেন, রাব্বির মা ইমা আমার আপন খালাতো বোন। তিনিই ফোন করে জানিয়েছেন, ভোর ৪টার দিকে রাব্বি মারা গেছে। অপর শিশু ফাইজার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

বিকেলে তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে গত ৩ অক্টোবর বেলা ২টার দিকে শহরের নিউ ট্রাক রোড আর এস টাওয়ারের পঞ্চম তলায় পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের বারান্দায় খেলতে গিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে এসে ফাইজা আক্তার ও মো. সাব্বির দগ্ধ হয়েছে। প্রথমে তাদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। ঘটনার পর চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিবুল হাসান জানান, দগ্ধ দুই শিশুকে তিনি নিজেই চিকিৎসা দিয়েছিলেন। ফাইজার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে গেছে। অপর শিশু রাব্বির শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

নিহত রাব্বি ও ফাইজা খালাতো ভাইবোন। তারা মায়ের সাথে ঘটনার দিন চাঁদপুর শহরের ওই বাসাতে বেড়াতে আসেন। তাদের উভয়ের বাড়ি পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানায়। এদিকে ঘটনাস্থল চাঁদপুর শহরের আরএস টাওয়ারের মালিকের কাছে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ভাড়াটিয়া শিশুদের খালা ইয়াছমিন গত আড়াই বছর এই বাসায় ভাড়া থাকেন। তার স্বামী সোহেল দেওয়ান সৌদি প্রবাসী।

তাদের বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার কালিরবাজার এলাকায়। এই ঘটনার পর তারা শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেননি। চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

দুই দিনের ব্যাটারি ব্যাকআপ নিয়ে আসছে রিয়েলমির নতুন ফোন

চাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পর্শে দগ্ধ শিশুর পাঁচ দিন পর মৃত্যু, অপরজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

Update Time : 10:58:30 am, Thursday, 8 October 2026

চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাকরোডে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসে বিদ্যুৎস্পর্শে দগ্ধ দুই শিশুর মধ্যে মো. রাব্বি (৪) নামে এক শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর মারা গেছে। একই দুর্ঘটনায় দগ্ধ অপর শিশু ফাইজা আক্তারের (৬) অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন শিশুর সম্পর্কে খালা ইয়াছমিন আক্তার। তিনি বলেন, রাব্বির মা ইমা আমার আপন খালাতো বোন। তিনিই ফোন করে জানিয়েছেন, ভোর ৪টার দিকে রাব্বি মারা গেছে। অপর শিশু ফাইজার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

বিকেলে তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে গত ৩ অক্টোবর বেলা ২টার দিকে শহরের নিউ ট্রাক রোড আর এস টাওয়ারের পঞ্চম তলায় পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের বারান্দায় খেলতে গিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে এসে ফাইজা আক্তার ও মো. সাব্বির দগ্ধ হয়েছে। প্রথমে তাদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। ঘটনার পর চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিবুল হাসান জানান, দগ্ধ দুই শিশুকে তিনি নিজেই চিকিৎসা দিয়েছিলেন। ফাইজার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে গেছে। অপর শিশু রাব্বির শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

নিহত রাব্বি ও ফাইজা খালাতো ভাইবোন। তারা মায়ের সাথে ঘটনার দিন চাঁদপুর শহরের ওই বাসাতে বেড়াতে আসেন। তাদের উভয়ের বাড়ি পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানায়। এদিকে ঘটনাস্থল চাঁদপুর শহরের আরএস টাওয়ারের মালিকের কাছে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ভাড়াটিয়া শিশুদের খালা ইয়াছমিন গত আড়াই বছর এই বাসায় ভাড়া থাকেন। তার স্বামী সোহেল দেওয়ান সৌদি প্রবাসী।

তাদের বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার কালিরবাজার এলাকায়। এই ঘটনার পর তারা শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেননি। চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।