আজ শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
২৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
বৃষ্টি
২৩°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৩°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৯%

চাঁদপুরে আড়াই হাজার ইয়াবাসহ চিহ্নিত কারবারি আটক

  • MIT ERP
  • Update Time : 02:41:24 am, Thursday, 8 October 2026
  • 22
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৭০ হাজার টাকা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ মো. আব্দুর রহিম (৪৬) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, রহিম দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্রের মাধ্যমে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিলেন। এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রহিমের মাদক কারবারের অংশীজন হিসেবে পরিচিত ফারহান রানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এর পরদিনই রহিমকে ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় মাদক কারবারের একটি বড় চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনী এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড ও চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় আব্দুর রহিমকে আটক করা হয়। আটক রহিম রেলওয়ে কলোনীর বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় ২০২১ ও ২০২৩ সালের মাদক আইনে মামলা চলমান রয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় রহিমের হেফাজত থেকে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৭০ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় থেকে জানানো হয়, তাদের কাছে তথ্য ছিল-আব্দুর রহিম, ফারহান রানা ও জয় নামে তিনজন যৌথভাবে মাদক কারবার করে আসছেন।

সেই তথ্যের ভিত্তিতেই বুধবার অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় রহিমকে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা ফারহান রানা ও জয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক কারবার করলেও ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতেন না। তাদের দাবি, রহিমের মাদক কারবারের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন নামধারী রাজনৈতিক নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু সদস্যদের যোগসাজশ থাকতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, রহিম ও তার সহযোগীদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও যোগাযোগের তথ্য যাচাই করা হলে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত আরও ব্যক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মু. মিজানুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার ফারহান রানার বাড়ি থেকে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা এবং বুধবার রহিমকে ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় রহিম, ফারহান ও জয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হবে।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান এফসিএমএ

চাঁদপুরে আড়াই হাজার ইয়াবাসহ চিহ্নিত কারবারি আটক

Update Time : 02:41:24 am, Thursday, 8 October 2026

চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৭০ হাজার টাকা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ মো. আব্দুর রহিম (৪৬) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, রহিম দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্রের মাধ্যমে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিলেন। এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রহিমের মাদক কারবারের অংশীজন হিসেবে পরিচিত ফারহান রানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এর পরদিনই রহিমকে ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় মাদক কারবারের একটি বড় চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনী এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড ও চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় আব্দুর রহিমকে আটক করা হয়। আটক রহিম রেলওয়ে কলোনীর বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় ২০২১ ও ২০২৩ সালের মাদক আইনে মামলা চলমান রয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় রহিমের হেফাজত থেকে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৭০ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় থেকে জানানো হয়, তাদের কাছে তথ্য ছিল-আব্দুর রহিম, ফারহান রানা ও জয় নামে তিনজন যৌথভাবে মাদক কারবার করে আসছেন।

সেই তথ্যের ভিত্তিতেই বুধবার অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় রহিমকে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা ফারহান রানা ও জয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক কারবার করলেও ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতেন না। তাদের দাবি, রহিমের মাদক কারবারের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন নামধারী রাজনৈতিক নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু সদস্যদের যোগসাজশ থাকতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, রহিম ও তার সহযোগীদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও যোগাযোগের তথ্য যাচাই করা হলে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত আরও ব্যক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মু. মিজানুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার ফারহান রানার বাড়ি থেকে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা এবং বুধবার রহিমকে ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় রহিম, ফারহান ও জয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হবে।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।