নওগাঁর মহাদেবপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাড়ির সামনে খলিয়ান দখল করে বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ ইমাজ উদ্দিন গংয়ের বিরুদ্ধে। এতে গত এক সপ্তাহ ধরে পরিবার নিয়ে অবরুদ্ধ হওয়াসহ চলাচলে সমস্যায় পড়েছেন ভুক্তভোগী আদম আলী।
তিনি উপজেলার মধুবন গ্রামের বাসীন্দা। জানা গেছে, উপজেলার মধুবন গপ্রামের ইমাজ উদ্দিন ও আদম আলী পপ্রামানিক দুই ভাই। গত ২০ বছর ধরে বাড়ির পূর্বপাশে খলিয়ান ব্যবহার করে আসছেন ছোট ভাই আদম আলী প্রামানিক। গত এক সপ্তাহ আগে ডুমুর (জগই) গাছকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। এরপর বড় ভাই ইমাজ উদ্দিন গং ও প্রতিবেশী মৃত আবু সাইদ গংরা ওই খলিয়ান দখল করে গাছের চারা রোপন করে বাঁশের বেড়া দেয়।
এরপর থেকে আদম আলী প্রামানিক বাড়ি থেকে বের হতে হলে প্রতিবেশীদের বাড়ির ভেতর দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। যাতায়াত করা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। অভিযুক্ত ইমাজ উদ্দিনের ছেলে ইখতিয়ার উদ্দিন দুরন্ত বলেন, আমরা কেউ ওই জায়গাটি দখল করিনি। বরং তৃতীয় পক্ষ মৃত আবু সাইদ গংরা দখল করেছে। তারা বেড়া দেওয়ার সময় পাশে থেকে আমরা দেখছিলাম।
এ ঘটনায় চাচা আমাদের বিররুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দিয়েছে। চাচার ডুমুর গাছের কারণে আমাদের টয়লেটের ইটের প্রাচীরটির সমস্যা হচ্ছে। গাছটি কেটে নেওয়ার জন্য বলা হলেও তিনি শুনছেন না। ভুক্তভোগী আদম আলী প্রামানিক বলেন, বাড়ির সামনে খলিয়ান দীর্ঘ বছর থেকে দখলে রেখে ব্যবহার করে আসছি। বড় ভাইয়ের সাথে একটি গাছ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে জমি মাপজোক হয়।
পরে তৃতীয় পক্ষ মৃত আবু সাইদ গংরা (আবু সাইদের নাতনী জামাই মোস্তাকিম ও আব্দুল ওয়াহাব) এসে তাদের জমি বলে দখল করে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেয় এবং গাছের চারা রোপন করে। এতে তাদের সহযোগিতা করে বড় ভাই ও ভাতিজারা। বেড়া দেওয়ায় পর থেকে পরিবার নিয়ে চলাচলে অসুবিধার মধ্যে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিকার চাই। তবে মৃত আবু সাইদের নাতনী জামাই মোস্তাকিম ও আব্দুল ওয়াহাবকে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফাররুক বলেন, জায়গা জমি নিয়ে অনেকদিন থেকে তাদের বিরোধ চলে আসছে। ভুক্তভোগীকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিয়ষটি ক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।






















