আজ সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
২০ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৪%

ট্রাম্প-তারেক রহমানের ছবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ মাহদী আমিনের

  • MIT ERP
  • Update Time : 03:51:41 pm, Sunday, 4 October 2026
  • 14

ট্রাম্প-তারেক রহমানের ছবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ মাহদী আমিনের

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট পাওয়ার জন্য মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর যে অশুভ প্রতিযোগিতা চলছে তা রাজনীতির সংস্কৃতি হওয়া উচিত নয়। রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, লাইক, শেয়ার, কমেন্ট পাওয়া কিংবা ভাইরাল হওয়ার একটা অশুভ প্রতিযোগিতা চলছে।

যেগুলো সত্য, সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে তারপরও মিথ্যা বা অপপ্রচার করা এগুলো রাজনীতির সংস্কৃতি হওয়া উচিত না। তিনি বলেন, গতকাল (শনিবার) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি আপলোড করার পর সেটি নিয়ে অনেকে অপপ্রচার করেছেন। অথচ ছবিটি হোয়াইট হাউস থেকেই দেওয়া হয়েছে এবং রোববার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসও ছবিটি শেয়ার করেছে।

তাহলে কেন এই মিথ্যাচার? প্রধানমন্ত্রী ও ট্রাম্পের সাক্ষাৎ এবং ছবির বিষয়টি স্পষ্ট করা হচ্ছে না কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যা সত্য, যা ন্যায্য, এটা ক্লিয়ার করার কিছু নেই। আজ আমেরিকান দূতাবাস নিজেই সেটা শেয়ার করছে। এর চেয়ে বড় ক্ল্যারিফিকেশন আমরা কী চাই? তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করবেন এটি স্বাভাবিক বিষয়।

তাদের মধ্যে আন্তরিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে সরকারপ্রধান কেন মিথ্যাচার করবেন। মাহদী আমিনে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান নিয়েও ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছিল। সেখানে তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করবেন এমন তথ্য ছড়ানো হলেও পরে আয়োজকরাই বিষয়টি ভুল বলে নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, জাইমা রহমান জাতিসংঘে নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে একটি চাকরি পেয়েছেন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। তারপরও তার চাকরিটি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন বিএনপিকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে বলে দাবি করেন মাহদী আমিন। সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ভিন্ন বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট জায়গাটি অবৈধ হওয়ায় জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ ছিল এবং এর সঙ্গে রাজনীতির ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে ভাঙচুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গ্রেপ্তার, মামলা ও তদন্ত চলছে। এরপরও বিএনপির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে। মাহদী আমিন বলেন, এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভিউ ও প্রচার দেখা গেলেও বাস্তবতার সঙ্গে ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকেরই আরও একটু গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার দিকে যাওয়া উচিত। যা সত্য ও ন্যায্য সেটাকে তুলে ধরা, যেটা অনৈতিক, যেটা অন্যায্য সেটাকেও তুলে ধরা উচিত নির্মোহভাবে। বর্তমান সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

মাহদী আমিন বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদের সময়ে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলতে মানুষ ভয় পেত। বিএনপিসহ গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত অনেকেই তখন সাহস করে রাজপথে নেমেছিল। অথচ এখন প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী, কন্যা এবং ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, একটা সুষ্ঠু রাজনীতি আমাদের কাম্য।

সেখানে প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে গঠনমূলক রাজনীতি করবেন, সহাবস্থান রাখবেন, সহানুভূতিশীল আচরণ করবেন। কুষ্টিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নামে কটূক্তির অভিযোগে এক স্কুলশিক্ষককে থানায় নেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়ে ওই শিক্ষককে থানা থেকে পুলিশি পাহারায় সসম্মানে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

বিরোধী দল মানেই সব বিষয়ে বিরোধিতা করা নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সম্মান ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণমানুষের ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি যে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি শুধু বিএনপির নয়, পুরো বাংলাদেশের সম্মান।

সব রাজনৈতিক দলকে পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্য বজায় রেখে গঠনমূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অযথা বিতর্ক করা, অপপ্রচার করা, অশালীন আচরণ করা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আসুন আমরা সবাই সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনীতি করি, একজন আরেকজনকে সম্মান জানাই এবং যেটা সত্য ও সঠিক সেটা তুলে ধরি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে নীতিমালার উদ্যোগ সরকারের

ট্রাম্প-তারেক রহমানের ছবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ মাহদী আমিনের

Update Time : 03:51:41 pm, Sunday, 4 October 2026

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট পাওয়ার জন্য মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর যে অশুভ প্রতিযোগিতা চলছে তা রাজনীতির সংস্কৃতি হওয়া উচিত নয়। রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, লাইক, শেয়ার, কমেন্ট পাওয়া কিংবা ভাইরাল হওয়ার একটা অশুভ প্রতিযোগিতা চলছে।

যেগুলো সত্য, সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে তারপরও মিথ্যা বা অপপ্রচার করা এগুলো রাজনীতির সংস্কৃতি হওয়া উচিত না। তিনি বলেন, গতকাল (শনিবার) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি আপলোড করার পর সেটি নিয়ে অনেকে অপপ্রচার করেছেন। অথচ ছবিটি হোয়াইট হাউস থেকেই দেওয়া হয়েছে এবং রোববার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসও ছবিটি শেয়ার করেছে।

তাহলে কেন এই মিথ্যাচার? প্রধানমন্ত্রী ও ট্রাম্পের সাক্ষাৎ এবং ছবির বিষয়টি স্পষ্ট করা হচ্ছে না কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যা সত্য, যা ন্যায্য, এটা ক্লিয়ার করার কিছু নেই। আজ আমেরিকান দূতাবাস নিজেই সেটা শেয়ার করছে। এর চেয়ে বড় ক্ল্যারিফিকেশন আমরা কী চাই? তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করবেন এটি স্বাভাবিক বিষয়।

তাদের মধ্যে আন্তরিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে সরকারপ্রধান কেন মিথ্যাচার করবেন। মাহদী আমিনে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান নিয়েও ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছিল। সেখানে তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করবেন এমন তথ্য ছড়ানো হলেও পরে আয়োজকরাই বিষয়টি ভুল বলে নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, জাইমা রহমান জাতিসংঘে নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে একটি চাকরি পেয়েছেন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। তারপরও তার চাকরিটি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন বিএনপিকে নিয়েও অপপ্রচার হয়েছে বলে দাবি করেন মাহদী আমিন। সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ভিন্ন বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট জায়গাটি অবৈধ হওয়ায় জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ ছিল এবং এর সঙ্গে রাজনীতির ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে ভাঙচুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গ্রেপ্তার, মামলা ও তদন্ত চলছে। এরপরও বিএনপির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে। মাহদী আমিন বলেন, এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভিউ ও প্রচার দেখা গেলেও বাস্তবতার সঙ্গে ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকেরই আরও একটু গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার দিকে যাওয়া উচিত। যা সত্য ও ন্যায্য সেটাকে তুলে ধরা, যেটা অনৈতিক, যেটা অন্যায্য সেটাকেও তুলে ধরা উচিত নির্মোহভাবে। বর্তমান সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

মাহদী আমিন বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদের সময়ে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলতে মানুষ ভয় পেত। বিএনপিসহ গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত অনেকেই তখন সাহস করে রাজপথে নেমেছিল। অথচ এখন প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী, কন্যা এবং ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, একটা সুষ্ঠু রাজনীতি আমাদের কাম্য।

সেখানে প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে গঠনমূলক রাজনীতি করবেন, সহাবস্থান রাখবেন, সহানুভূতিশীল আচরণ করবেন। কুষ্টিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নামে কটূক্তির অভিযোগে এক স্কুলশিক্ষককে থানায় নেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়ে ওই শিক্ষককে থানা থেকে পুলিশি পাহারায় সসম্মানে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

বিরোধী দল মানেই সব বিষয়ে বিরোধিতা করা নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সম্মান ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণমানুষের ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি যে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি শুধু বিএনপির নয়, পুরো বাংলাদেশের সম্মান।

সব রাজনৈতিক দলকে পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্য বজায় রেখে গঠনমূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অযথা বিতর্ক করা, অপপ্রচার করা, অশালীন আচরণ করা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আসুন আমরা সবাই সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনীতি করি, একজন আরেকজনকে সম্মান জানাই এবং যেটা সত্য ও সঠিক সেটা তুলে ধরি।