কোনো ধরনের চাপে পড়ে নয়, বরং দেশের স্বার্থ ও প্রয়োজনেই ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং ও ইউরোপের এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোথা থেকে কী কিনব, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কোন এয়ারক্রাফট নিলে আমাদের জন্য ভালো হবে, সেটা আমাদেরই চিন্তা করা উচিত।
আমরা কোনো চাপে পড়ে এয়ারবাস কিনছি না। আমাদের প্রয়োজনের জন্যই কিনছি। ’ তিনি বলেন, ‘আমরা অক্টোবরে ১০টি এয়ারক্রাফট কেনার চেষ্টা করছি। আমরা লিজ নেওয়ারও চেষ্টা করছি, কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। এভিয়েশন খাতকে সুন্দর করার জন্য যেখান থেকে আমরা লাভবান হব, সেখান থেকেই কিনব। ’ এ ছাড়াও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে এরই মধ্যে বোয়িংয়ের সঙ্গে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে ১৫টি ওয়াইড বডি এবং ১০টি ন্যারো বডি।
নতুন চুক্তির আওতায় পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ২০৩১ সালের নভেম্বরে প্রথম উড়োজাহাজ ডেলিভারি দেওয়ার কথা। তবে ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে অন্তত একটি উড়োজাহাজ ডেলিভারির জন্য বোয়িংকে অনুরোধ করা হয়েছে। রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক স্লট খালি রয়েছে। বাংলাদেশি ক্যারিয়ার দিয়েই এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে দেশের প্রয়োজনকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।



















