আজ বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
১৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৮%

রংপুরে চার খুন: এক মাস পরও রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:07:40 pm, Tuesday, 29 September 2026
  • 18

রংপুরে চার খুন: এক মাস পরও রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

এক মাস পেরিয়ে গেলেও রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজন হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। দুই আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি, ফরেনসিক আলামত ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার তথ্য যাচাই করছে পুলিশ। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে ডিবি।

২২ আগস্ট রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় নিজের ঘর থেকে উদ্ধার হয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, ছেলে আয়ুশ ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ।

পরদিন মধ্যরাতে গ্রেপ্তার হয় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। আদালতে তারা স্বীকারোক্তি দিলেও হত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের দাবি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের স্বজনের।

আরপিএমপি ডিবির উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘দুই আসামির ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ না মিললেও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকায়। এছাড়া, জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্য, ঘটনাস্থলের আলামত ও ফরেনসিক প্রতিবেদন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।’

ঘটনার পর একেক সময় পুলিশের একেক বক্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই, কারো প্রভাব ছাড়া নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি নিহতদের স্বজন ও বিভিন্ন সংগঠনের।

রংপুর জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ বলেন, ‘পুলিশের একেক সময়ে একেক বক্তব্য বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।’

দুই আসামির জবানবন্দি ও পুলিশের তদন্তে বেশ কিছু তথ্য মিলেছে। তবে চার হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো অজানা। রহস্যের উত্তর জানতে ডিএনএসহ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

মিয়ানমার কারাগারে বন্দি লক্ষ্মীপুরের ৯ জেলের স্বজনদের চরম দুর্দিন

রংপুরে চার খুন: এক মাস পরও রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি

Update Time : 11:07:40 pm, Tuesday, 29 September 2026

এক মাস পেরিয়ে গেলেও রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজন হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। দুই আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি, ফরেনসিক আলামত ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার তথ্য যাচাই করছে পুলিশ। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে ডিবি।

২২ আগস্ট রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় নিজের ঘর থেকে উদ্ধার হয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, ছেলে আয়ুশ ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ।

পরদিন মধ্যরাতে গ্রেপ্তার হয় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। আদালতে তারা স্বীকারোক্তি দিলেও হত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের দাবি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের স্বজনের।

আরপিএমপি ডিবির উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘দুই আসামির ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ না মিললেও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকায়। এছাড়া, জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্য, ঘটনাস্থলের আলামত ও ফরেনসিক প্রতিবেদন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।’

ঘটনার পর একেক সময় পুলিশের একেক বক্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই, কারো প্রভাব ছাড়া নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি নিহতদের স্বজন ও বিভিন্ন সংগঠনের।

রংপুর জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ বলেন, ‘পুলিশের একেক সময়ে একেক বক্তব্য বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।’

দুই আসামির জবানবন্দি ও পুলিশের তদন্তে বেশ কিছু তথ্য মিলেছে। তবে চার হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো অজানা। রহস্যের উত্তর জানতে ডিএনএসহ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা।