আজ সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৫৩%

পরীক্ষার খাতায় শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখার সিদ্ধান্ত যবিপ্রবির

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:55:39 am, Monday, 28 September 2026
  • 12

পরীক্ষার খাতায় শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখার সিদ্ধান্ত যবিপ্রবির

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীর নাম কিংবা রোল নম্বরের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে।

ফলে খাতা মূল্যায়নের সময় পরীক্ষক সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর পরিচয় জানতে পারবেন না। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কোডিং পদ্ধতিতে উত্তরপত্রের সঙ্গে শিক্ষার্থীর পরিচয় সরাসরি দৃশ্যমান থাকবে না।

পরীক্ষক শুধু কোডযুক্ত উত্তরপত্র পাবেন এবং সেই কোডের ভিত্তিতেই খাতা মূল্যায়ন করবেন। মূল্যায়ন শেষে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কোডের সঙ্গে শিক্ষার্থীর পরিচয় সমন্বয় করে ফল প্রস্তুত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এ পদ্ধতিতে পরীক্ষক ও শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে মূল্যায়নে প্রভাব পড়ার সুযোগ কমবে।

একই সঙ্গে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বাড়বে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষার্থীর মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পরীক্ষক শিক্ষার্থীর পরিচয় না জেনে খাতা মূল্যায়ন করলে পক্ষপাতের সম্ভাবনা কমবে এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থা বাড়বে। তিনি জানান, আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা থেকেই পর্যায়ক্রমে কোডিং পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আস্থা তৈরিতেও এটি ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ক্ষেত্রেও নতুন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হকের নেতৃত্বে মৌলভীবাজারে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ ও মিছিল

পরীক্ষার খাতায় শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখার সিদ্ধান্ত যবিপ্রবির

Update Time : 01:55:39 am, Monday, 28 September 2026

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীর নাম কিংবা রোল নম্বরের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে।

ফলে খাতা মূল্যায়নের সময় পরীক্ষক সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর পরিচয় জানতে পারবেন না। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কোডিং পদ্ধতিতে উত্তরপত্রের সঙ্গে শিক্ষার্থীর পরিচয় সরাসরি দৃশ্যমান থাকবে না।

পরীক্ষক শুধু কোডযুক্ত উত্তরপত্র পাবেন এবং সেই কোডের ভিত্তিতেই খাতা মূল্যায়ন করবেন। মূল্যায়ন শেষে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কোডের সঙ্গে শিক্ষার্থীর পরিচয় সমন্বয় করে ফল প্রস্তুত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এ পদ্ধতিতে পরীক্ষক ও শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে মূল্যায়নে প্রভাব পড়ার সুযোগ কমবে।

একই সঙ্গে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বাড়বে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষার্থীর মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পরীক্ষক শিক্ষার্থীর পরিচয় না জেনে খাতা মূল্যায়ন করলে পক্ষপাতের সম্ভাবনা কমবে এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থা বাড়বে। তিনি জানান, আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা থেকেই পর্যায়ক্রমে কোডিং পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আস্থা তৈরিতেও এটি ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ক্ষেত্রেও নতুন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।