আজ বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৬°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৬%

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে ৪২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই চলছে ঢালাই, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:59:09 pm, Tuesday, 22 September 2026
  • 16

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে ৪২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই চলছে ঢালাই, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চরম ঝুঁকি ও সমন্বয়হীনতার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের হাজীগঞ্জ বাজার অংশে পাথর ঢালাইয়ের কাজ চলছে। ব্যস্ত এই সড়কের মাঝখানে এবং পিচ ঢালাইয়ের নির্ধারিত স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও চালকেরা।

হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, রাতের বেলা দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের সময় এসব খুঁটি চালকদের চোখে না পড়ার কারণে যেকোনো মুহূর্তে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী হাজীগঞ্জ বাজার ৩১টি ও বলাখাল বাজারে ১১টিসহ ৪২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি নিরাপদ দূরত্বে স্থানান্তর করা জরুরি। খুঁটিগুলো অপসারণ না করেই তড়িঘড়ি করে সড়ক ঢালাইয়ের কাজ চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

হাজীগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগ থেকে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার বরাবর পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবিলম্বে বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো নিরাপদ দূরত্বে স্থানান্তর করতে বলা হয়।

এ নিয়ে চাঁদপুর সড়ক বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশল ভুঁইয়া রেদওয়ানুর রহমান বলেন, ‘এখানে বলা আছে স্পষ্টভাবে, আমাদের যদি সড়ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটি আবার প্রয়োজন হয়, তাহলে তারা ৪৫ দিনের মধ্যে এটা নিজ দায়িত্বে সরায় নিতে বাধ্য হবেন এবং সেটা করার জন্য তাদেরকে আমি লাস্ট যে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় মিটিংয় হয়, সে সময়ে এই ব্যাপারটা নিয়ে অবগত করেছি। সেই মিটিংয়ে জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পরবর্তীতে সবকিছু শোনার পরে এবং বিদ্যুৎ অফিসকেই এটাকে সরিয়ে নিতে হবে এবং তাদের যদি অর্থসংকট থাকে, সে ব্যাপারে তিনি সুপারিশকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করবেন।’

এদিকে প্রথমে এর জবাবে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পক্ষ থেকে তাদের নিজস্ব কোনো বাজেট বরাদ্দ না থাকায় এই খুঁটি স্থানান্তরের কাজ সরাসরি করা সম্ভব নয়। খুঁটি স্থানান্তরের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় বাবদ মোট ২২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা প্রয়োজন। পরে জেলা প্রশাসকের পরামর্শে অর্থের জন্য সোমবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার গোবিন্দ আগারওয়ালা।

গোবিন্দ আগারওয়ালা বলেন, ‘ওখানে রোডসের এক্সিয়েন মহোদয়; বিষয়টাকে অবগত করার পরে ডিসি স্যার আমাদেরকে বললেন–আপনি আপনার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি লেখেন এবং অনুলিপি আমাকে দেন একটা। আমরা কি করতে পারি দেখি চেষ্টা করি। সে অনুযায়ী আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখছি এবং যোগাযোগ রাখছি কাজটা কীভাবে দ্রুতগতিতে করা যায় এবং সমস্যার সমাধান করা যায়।’

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ভারতীয় রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বড় উত্থান

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে ৪২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই চলছে ঢালাই, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

Update Time : 05:59:09 pm, Tuesday, 22 September 2026

চরম ঝুঁকি ও সমন্বয়হীনতার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের হাজীগঞ্জ বাজার অংশে পাথর ঢালাইয়ের কাজ চলছে। ব্যস্ত এই সড়কের মাঝখানে এবং পিচ ঢালাইয়ের নির্ধারিত স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও চালকেরা।

হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, রাতের বেলা দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের সময় এসব খুঁটি চালকদের চোখে না পড়ার কারণে যেকোনো মুহূর্তে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী হাজীগঞ্জ বাজার ৩১টি ও বলাখাল বাজারে ১১টিসহ ৪২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি নিরাপদ দূরত্বে স্থানান্তর করা জরুরি। খুঁটিগুলো অপসারণ না করেই তড়িঘড়ি করে সড়ক ঢালাইয়ের কাজ চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

হাজীগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগ থেকে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার বরাবর পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবিলম্বে বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো নিরাপদ দূরত্বে স্থানান্তর করতে বলা হয়।

এ নিয়ে চাঁদপুর সড়ক বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশল ভুঁইয়া রেদওয়ানুর রহমান বলেন, ‘এখানে বলা আছে স্পষ্টভাবে, আমাদের যদি সড়ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটি আবার প্রয়োজন হয়, তাহলে তারা ৪৫ দিনের মধ্যে এটা নিজ দায়িত্বে সরায় নিতে বাধ্য হবেন এবং সেটা করার জন্য তাদেরকে আমি লাস্ট যে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় মিটিংয় হয়, সে সময়ে এই ব্যাপারটা নিয়ে অবগত করেছি। সেই মিটিংয়ে জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পরবর্তীতে সবকিছু শোনার পরে এবং বিদ্যুৎ অফিসকেই এটাকে সরিয়ে নিতে হবে এবং তাদের যদি অর্থসংকট থাকে, সে ব্যাপারে তিনি সুপারিশকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করবেন।’

এদিকে প্রথমে এর জবাবে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পক্ষ থেকে তাদের নিজস্ব কোনো বাজেট বরাদ্দ না থাকায় এই খুঁটি স্থানান্তরের কাজ সরাসরি করা সম্ভব নয়। খুঁটি স্থানান্তরের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় বাবদ মোট ২২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা প্রয়োজন। পরে জেলা প্রশাসকের পরামর্শে অর্থের জন্য সোমবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার গোবিন্দ আগারওয়ালা।

গোবিন্দ আগারওয়ালা বলেন, ‘ওখানে রোডসের এক্সিয়েন মহোদয়; বিষয়টাকে অবগত করার পরে ডিসি স্যার আমাদেরকে বললেন–আপনি আপনার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি লেখেন এবং অনুলিপি আমাকে দেন একটা। আমরা কি করতে পারি দেখি চেষ্টা করি। সে অনুযায়ী আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখছি এবং যোগাযোগ রাখছি কাজটা কীভাবে দ্রুতগতিতে করা যায় এবং সমস্যার সমাধান করা যায়।’