আজ শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১৪%

রাজধানীর কদমতলীতে খাটের নিচ থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

  • MIT ERP
  • Update Time : 08:27:07 pm, Friday, 18 September 2026
  • 17

রাজধানীর কদমতলীতে খাটের নিচ থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

রাজধানীর কদমতলী থানার ডিপটি গলির একটি পাঁচতলা বাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে ইয়ানুর (২৫) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিজ কক্ষের খাটের নিচ থেকে রক্তাত্ব অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার বিকেলের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জুয়েল রানা পলাতক রয়েছেন।

কদমতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেকুজজামান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কদমতলী ডিপটি গলির জি এম কাদেরের ভাড়া বাসার পঞ্চম তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে খাটের নিচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ইয়ানূরের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

এসআই মো. খালেকুজজামান আরও বলেন, ‘তিন মাস আগে জুয়েল রানা নামের এক যুবক স্বামী–স্ত্রী পরিচয়ে সাবলেট ওই বাসা ভাড়া নেন। আশেপাশে লোকের মুখে জানতে পারি এরা দুজন ছোটখাটো কথা নিয়ে সব সময় ঝগড়াঝাঁটি করত। পরে রাতের যেকোনো সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলা কেটে হত্যা করে দরজায় তালা বন্ধ করে পালিয়ে যান জুয়েল। তবুও ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলেন মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

এ বিষয়ে কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান এসআই মো. খালেকুজজামান।

নিহতের ছোট ভাই ইমাম হোসেন বলেন, ‘আমার বোন পাঁচ–ছয় মাস আগে জিকুরুল ইসলাম (জুয়েল) নামের এক ছেলের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করে। ওই ছেলে পটুয়াখালীর একটি বাসে সুপারভাইজারি করত। গতরাতে মা আমার বোনকে ফোন দিয়ে না পেলে, সাড়ে ১০টার দিকে বাসায় এসে তালা বন্ধ পাই। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় আমার বোনের মরদেহ উদ্ধার করে।’

ইমাম হোসেন জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার গোয়াবাড়িয়ায়। তিনি হানিফ হাওলাদারের মেয়ে। বর্তমানে কদমতলীর ডিপটি গলির ৬৭০ নম্বর জিএম কাদের সাহেবের পাঁচ তলা বাসার দ্বিতীয় তলায় সাবলেট থাকতেন। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে ইয়ানূর ছিলেন বড়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের সারথি সি. বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও

রাজধানীর কদমতলীতে খাটের নিচ থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

Update Time : 08:27:07 pm, Friday, 18 September 2026

রাজধানীর কদমতলী থানার ডিপটি গলির একটি পাঁচতলা বাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে ইয়ানুর (২৫) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিজ কক্ষের খাটের নিচ থেকে রক্তাত্ব অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার বিকেলের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জুয়েল রানা পলাতক রয়েছেন।

কদমতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেকুজজামান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কদমতলী ডিপটি গলির জি এম কাদেরের ভাড়া বাসার পঞ্চম তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে খাটের নিচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ইয়ানূরের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

এসআই মো. খালেকুজজামান আরও বলেন, ‘তিন মাস আগে জুয়েল রানা নামের এক যুবক স্বামী–স্ত্রী পরিচয়ে সাবলেট ওই বাসা ভাড়া নেন। আশেপাশে লোকের মুখে জানতে পারি এরা দুজন ছোটখাটো কথা নিয়ে সব সময় ঝগড়াঝাঁটি করত। পরে রাতের যেকোনো সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলা কেটে হত্যা করে দরজায় তালা বন্ধ করে পালিয়ে যান জুয়েল। তবুও ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলেন মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

এ বিষয়ে কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান এসআই মো. খালেকুজজামান।

নিহতের ছোট ভাই ইমাম হোসেন বলেন, ‘আমার বোন পাঁচ–ছয় মাস আগে জিকুরুল ইসলাম (জুয়েল) নামের এক ছেলের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করে। ওই ছেলে পটুয়াখালীর একটি বাসে সুপারভাইজারি করত। গতরাতে মা আমার বোনকে ফোন দিয়ে না পেলে, সাড়ে ১০টার দিকে বাসায় এসে তালা বন্ধ পাই। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় আমার বোনের মরদেহ উদ্ধার করে।’

ইমাম হোসেন জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার গোয়াবাড়িয়ায়। তিনি হানিফ হাওলাদারের মেয়ে। বর্তমানে কদমতলীর ডিপটি গলির ৬৭০ নম্বর জিএম কাদের সাহেবের পাঁচ তলা বাসার দ্বিতীয় তলায় সাবলেট থাকতেন। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে ইয়ানূর ছিলেন বড়।