আজ বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০৩ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩৩°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৫%

ফোনের ব্যাটারি ও ডেটা বাঁচাতে যে ৫টি সেটিংস বন্ধ করবেন

  • MIT ERP
  • Update Time : 08:40:56 am, Wednesday, 16 September 2026
  • 14

ফোনের ব্যাটারি ও ডেটা বাঁচাতে যে ৫টি সেটিংস বন্ধ করবেন

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

স্মার্টফোনে এমন অনেক ফিচার রয়েছে, যেগুলো আমরা নিয়মিত ব্যবহার না করলেও নেপথ্যে সক্রিয় থাকে। প্রয়োজনের সময় এসব ফিচার কাজে এলেও সারাক্ষণ চালু থাকলে ব্যাটারি, মোবাইল ডেটা ও ফোনের অন্যান্য রিসোর্স খরচ হতে পারে।

তাই প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু সেটিংস পরিবর্তন করে ফোনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম কমানো সম্ভব। প্রথমেই বন্ধ করতে পারেন প্লে স্টোরের অটো-আপডেট। অ্যাপের নতুন সংস্করণ এলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হওয়ার সুবিধা থাকলেও একসঙ্গে অনেক অ্যাপ আপডেট হলে মোবাইল ডেটা ও ব্যাটারি খরচ বাড়তে পারে। যারা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপ আপডেট করতে চান, তারা প্লে স্টোর প্রোফাইল ছবি সেটিংস নেটওয়ার্ক প্রেফারেন্স অটো-আপডেট অ্যাপসÑ এ গিয়ে ‘ডোন্ট অটো-আপডেট অ্যাপস’ নির্বাচন করতে পারেন।

ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ স্ক্যানিংও প্রয়োজন না থাকলে বন্ধ রাখা যায়। ফোনের ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ বন্ধ থাকলেও স্ক্যানিং ফিচার আশপাশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস শনাক্ত করতে পারে। লোকেশন নির্ধারণ ও কাছাকাছি ডিভাইস খুঁজতে এটি উপকারী হলেও সবসময় প্রয়োজন হয় না। সেটিংস লোকেশন সার্ভিসেসে গিয়ে ওয়াই-ফাই স্ক্যানিং ও ব্লটুথ স্ক্যানিং বন্ধ করা যায়।

কম ব্যবহৃত অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করাও কার্যকর। কোনো অ্যাপ খোলা না থাকলেও সেটি ব্যাকগ্রাউন্ডে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। বিশেষ করে শপিং, গেম বা বিনোদনের অ্যাপের ক্ষেত্রে এই ডেটা ব্যবহার অনেক সময় প্রয়োজনীয় নয়। সেটিংস অ্যাপস সংশ্লিষ্ট অ্যাপ মোবাইল ডেটা ইউসেজে গিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করা যায়। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ পারমিশনও সরিয়ে দেওয়া ভালো।

কোনো অ্যাপের কাজের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলে লোকেশন, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা কনট্যাক্টসের মতো অনুমতি চালু রাখার প্রয়োজন নেই। সেটিংস প্রাইভেসি পারমিশন ম্যানেজারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ নির্বাচন করে প্রয়োজনহীন অনুমতি বন্ধ করা যায়। এ ছাড়া ডেভেলপার অপশনে থাকা ‘মোবাইল ডেটা অলওয়েজ অ্যাক্টিভ’ ফিচারটি প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখা যেতে পারে।

এই সেটিংস ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময়ও মোবাইল ডেটা সক্রিয় রাখে, যাতে দ্রুত নেটওয়ার্ক পরিবর্তন করা যায়। সাধারণ ব্যবহারে এর প্রয়োজন না থাকলে সেটিংস অ্যাবাউট ফোন বিল্ড নম্বরে পরপর সাতবার ট্যাপ করে ডেভেলপার অপশন চালু করুন। এরপর সেটিংস সিস্টেম ডেভেলপার অপশনে গিয়ে ‘মোবাইল ডেটা অলওয়েজ অ্যাক্টিভ’ বন্ধ করা যাবে। তবে ফোনের ব্র্যান্ড ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ অনুযায়ী এসব সেটিংসের নাম বা অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।

কোনো ফিচার বন্ধ করার আগে সেটি আপনার নিয়মিত ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ফোনের ব্যাটারি ও ডেটা বাঁচাতে যে ৫টি সেটিংস বন্ধ করবেন

Update Time : 08:40:56 am, Wednesday, 16 September 2026

স্মার্টফোনে এমন অনেক ফিচার রয়েছে, যেগুলো আমরা নিয়মিত ব্যবহার না করলেও নেপথ্যে সক্রিয় থাকে। প্রয়োজনের সময় এসব ফিচার কাজে এলেও সারাক্ষণ চালু থাকলে ব্যাটারি, মোবাইল ডেটা ও ফোনের অন্যান্য রিসোর্স খরচ হতে পারে।

তাই প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু সেটিংস পরিবর্তন করে ফোনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম কমানো সম্ভব। প্রথমেই বন্ধ করতে পারেন প্লে স্টোরের অটো-আপডেট। অ্যাপের নতুন সংস্করণ এলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হওয়ার সুবিধা থাকলেও একসঙ্গে অনেক অ্যাপ আপডেট হলে মোবাইল ডেটা ও ব্যাটারি খরচ বাড়তে পারে। যারা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপ আপডেট করতে চান, তারা প্লে স্টোর প্রোফাইল ছবি সেটিংস নেটওয়ার্ক প্রেফারেন্স অটো-আপডেট অ্যাপসÑ এ গিয়ে ‘ডোন্ট অটো-আপডেট অ্যাপস’ নির্বাচন করতে পারেন।

ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ স্ক্যানিংও প্রয়োজন না থাকলে বন্ধ রাখা যায়। ফোনের ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ বন্ধ থাকলেও স্ক্যানিং ফিচার আশপাশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস শনাক্ত করতে পারে। লোকেশন নির্ধারণ ও কাছাকাছি ডিভাইস খুঁজতে এটি উপকারী হলেও সবসময় প্রয়োজন হয় না। সেটিংস লোকেশন সার্ভিসেসে গিয়ে ওয়াই-ফাই স্ক্যানিং ও ব্লটুথ স্ক্যানিং বন্ধ করা যায়।

কম ব্যবহৃত অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করাও কার্যকর। কোনো অ্যাপ খোলা না থাকলেও সেটি ব্যাকগ্রাউন্ডে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। বিশেষ করে শপিং, গেম বা বিনোদনের অ্যাপের ক্ষেত্রে এই ডেটা ব্যবহার অনেক সময় প্রয়োজনীয় নয়। সেটিংস অ্যাপস সংশ্লিষ্ট অ্যাপ মোবাইল ডেটা ইউসেজে গিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করা যায়। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ পারমিশনও সরিয়ে দেওয়া ভালো।

কোনো অ্যাপের কাজের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলে লোকেশন, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা কনট্যাক্টসের মতো অনুমতি চালু রাখার প্রয়োজন নেই। সেটিংস প্রাইভেসি পারমিশন ম্যানেজারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ নির্বাচন করে প্রয়োজনহীন অনুমতি বন্ধ করা যায়। এ ছাড়া ডেভেলপার অপশনে থাকা ‘মোবাইল ডেটা অলওয়েজ অ্যাক্টিভ’ ফিচারটি প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখা যেতে পারে।

এই সেটিংস ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময়ও মোবাইল ডেটা সক্রিয় রাখে, যাতে দ্রুত নেটওয়ার্ক পরিবর্তন করা যায়। সাধারণ ব্যবহারে এর প্রয়োজন না থাকলে সেটিংস অ্যাবাউট ফোন বিল্ড নম্বরে পরপর সাতবার ট্যাপ করে ডেভেলপার অপশন চালু করুন। এরপর সেটিংস সিস্টেম ডেভেলপার অপশনে গিয়ে ‘মোবাইল ডেটা অলওয়েজ অ্যাক্টিভ’ বন্ধ করা যাবে। তবে ফোনের ব্র্যান্ড ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ অনুযায়ী এসব সেটিংসের নাম বা অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।

কোনো ফিচার বন্ধ করার আগে সেটি আপনার নিয়মিত ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।