সাবেক সেনাপ্রধান অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং তাঁর স্ত্রী দিলশান নাহার কাকলীর সম্পদ যাচাইয়ে কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এর আগে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আজিজ আহমেদ এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দুদক সুত্র জানায়, ২০২৪ সালের পাঁচ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির পর সাবেক এই সেনা প্রধানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির করে রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি, ফ্ল্যাট ক্রয়সহ শত কোটি টাকা বিনিয়োগের অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আজিজ আহমেদ এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরে আজিজ আহমেদ এবং তার স্ত্রী দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। এবার তাদের দেওয়া সম্পদের তথ্য যাচাইয়ে কমিটি করেছে দুদক।
২০১৮ সালের জুন থেকে তিন বছর বাংলাদেশের চিফ অব আর্মি স্টাফ ছিলেন জেনারেল আজিজ আহমেদ। তার আগে ২০১২ সাল থেকে চার বছর বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী–বিজিবির নেতৃত্ব দেন তিনি। সেনাপ্রধান হিসেবে মেয়াদের শেষ সময়ে কাতার ভিত্তিক আলজাজিরা টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগ তোলা হলে সরকার এবং সেনাসদর সে সময় প্রতিবাদ জানিয়েছিল।


















