বিরোধী দল অযৌক্তিক আন্দোলনে গেলে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। একই সঙ্গে বিএনপির ধারাবাহিক কর্মসূচির বিপরীতে কোনো পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার ভাবনা সরকারি দলের নেই। বিএনপি নেতারা জানান, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার সবার রয়েছে; তবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে তার দায়ও সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে।
সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমোলচনা করে এরই মধ্যে রাজপথে ধারাবাহিক কর্মসূচি দিতে শুরু করেছে বিরোধী দলগুলো। লং মার্চ, সমাবেশসহ নানা কর্মসূচিতে মাঠে সরবের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।
বিএনপির সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু বলেন, ‘সরকারকে চাপে রাখা ভালো। কিন্তু এটাকে যদি রাজপথে ভিন্ন দিকে নেওয়া হয় তবে জনগণ ভালোভাবে দেখবে না।’
বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম বলেন, ‘মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই অস্থিরতা যদি করতে চান তাহলে ডাল মে কুচ কালা হ্যায়। এখানে আওয়ামী লীগকে উৎসাহিত করা হবে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনের অধিকার সব রাজনৈতিক দলের আছে। অযৌক্তিক কর্মকাণ্ড জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চাইলে বিরোধীদলও ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলেও মনে করেন বিএনপির এই নেতা।
বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মতে, বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির পাল্টা জবাবে রাজপথ উত্তপ্ত করার প্রয়োজন দেখছে না তাদের দল।
















