আজ সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
২ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
৩০°C
সর্বোচ্চ: ৩০°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে পর্যটনের লীলাভূমি যশোরের কেশবপুর

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:46:09 pm, Monday, 17 August 2026
  • 4

ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে পর্যটনের লীলাভূমি যশোরের কেশবপুর

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

যশোরের কেশবপুর উপজেলা এখন পর্যটনের এক অনন্য লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি সাগরদাঁড়ী, বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান, ইতিহাসখ্যাত কপোতাক্ষ নদ, মোগল সাম্রাজ্যের স্মৃতিবিজড়িত মির্জানগর হাম্মামখানা এবং ভরত রাজার দেউলসহ নানা ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থাপনায় সমৃদ্ধ এই অঞ্চলটি।

পাশাপাশি সাগরদাঁড়ী মধুপল্লিীর পশ্চিম পাশে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে রাত্রি যাপনের সুব্যবস্থা রয়েছে। একটু সময় পেলেই যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত তার জন্মভুমি সাগরদাঁড়ীতে। আর পাশেই রয়েছে কপোতাক্ষ ফিউসার পার্ক। রয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে মির্জানগর হাম্মামখানা, ভরত রাজার দেউল। এ ছাড়াও পৃথিবী বিখ্যাত বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমানকে নিজ হাতে খাওয়াতে পারেন কলা, বাদাম, পাউরুটি।

যশোর জেলা শহর থেকে ৩২ কি.মি. খুলনা থেকে ৪৮ কি.মি. সাতক্ষীরা থেকে ৩৫ কি.মি. রাস্তা কেশবপুর উপজেলা শহর পর্যন্ত। মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস অথবা বাস যোগে আসা যায় কেশবপুরে। আর কেশবপুর থেকে মাত্র ১৩ কি.মি. দূরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত মধুপল্লী। কেশবপুর থেকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল অথবা ইঞ্জিন ভ্যানে ৩০-৪০ টাকা ভাড়া দিয়ে অনায়াসে ২০-২৫ মিনিটে পৌছানো যায়।

নামমাত্র প্রবেশ মূল্যে মধু পল্লীতে দেখা মেলে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পৈতৃক বসতভিটা ও প্রসূতি স্থানসহ কবি পরিবারের যাবতীয় খুঁটিনাটি। পাশে পর্যটন কমপ্লেক্স ও জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় রাত্রি যাপনেরও রয়েছে সুব্যবস্থা। সারা দিনের ক্লান্তি অবসাদ দূর করতে সদা প্রস্তুত এই ভবনগুলো। এর পর ঘুরে আসতে পারেন আঠারোশ বছরের পুরাতন ভরত রাজার দেউল।

যা ভরতের দেউল নামে পরিচিত। কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের ভরত ভায়না গ্রামে অবস্থিত ভরতের দেউল পর্যটকদের জন্য তেমনি একটি দর্শণীয় স্থান। কেশবপুর শহর থেকে মাত্র ১৭ থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্বে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকে বা ইজিবাইকযোগে ৪০ থেকে ৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে খুব সহজে ২০ থেকে ২৫ মিনিটি পৌঁছাতে পারবেন। এ ছাড়াও মির্জানগরে দেখতে পারবেন মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাসের অংশ মির্জানগর হাম্মামখানা জানতে পারবেন মুঘল ইতিহাসের নানা খুঁটিনাটি তথ্যউপাত্ত।

কেশবপুর শহর থেকে মাত্র ৯ থেকে ১০ কিলোমিটার দুরত্বে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল বা ইজিবাইকযোগে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ভাড়া দিয়ে খুব সহজে ১৫ থেকে ২০ মিনিটি পৌঁছাতে পারবেন। এরপর যেতে পারেন উপজেলার পাজিয়ায় রয়েছে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা ধীরাজ ভট্টাচার্য্য ও সাহিত্যিক মনোজ বসুরবাড়ী। কেশবপুর থেকে মাত্র ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার রাস্তা ১৫ থেকে ২০ মিনিটে মোটরসাইকেল বা ইজিবাইকযোগে ৩০ টাকা ভাড়ায় পৌঁছাতে পারবেন।

সব শেষে কেশবপুর শহরে এসেই দেখা পাবেন সেই বিখ্যাত কালোমুখো হনুমানের। যাদের নিজ হাতে খাওয়াতে পারবেন কলা, পাউরুটি অথবা বাদাম। দিন শেষে রাত্রি যাপনের জন্য আপনি সাগরদাড়ী পর্যটন ও ডাকবাংলো অথবা কেশবপুর শহরের আবাসিক হোটেলে বুকিং নিতে পারবেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী

ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে পর্যটনের লীলাভূমি যশোরের কেশবপুর

Update Time : 01:46:09 pm, Monday, 17 August 2026

যশোরের কেশবপুর উপজেলা এখন পর্যটনের এক অনন্য লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি সাগরদাঁড়ী, বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান, ইতিহাসখ্যাত কপোতাক্ষ নদ, মোগল সাম্রাজ্যের স্মৃতিবিজড়িত মির্জানগর হাম্মামখানা এবং ভরত রাজার দেউলসহ নানা ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থাপনায় সমৃদ্ধ এই অঞ্চলটি।

পাশাপাশি সাগরদাঁড়ী মধুপল্লিীর পশ্চিম পাশে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে রাত্রি যাপনের সুব্যবস্থা রয়েছে। একটু সময় পেলেই যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত তার জন্মভুমি সাগরদাঁড়ীতে। আর পাশেই রয়েছে কপোতাক্ষ ফিউসার পার্ক। রয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে মির্জানগর হাম্মামখানা, ভরত রাজার দেউল। এ ছাড়াও পৃথিবী বিখ্যাত বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমানকে নিজ হাতে খাওয়াতে পারেন কলা, বাদাম, পাউরুটি।

যশোর জেলা শহর থেকে ৩২ কি.মি. খুলনা থেকে ৪৮ কি.মি. সাতক্ষীরা থেকে ৩৫ কি.মি. রাস্তা কেশবপুর উপজেলা শহর পর্যন্ত। মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস অথবা বাস যোগে আসা যায় কেশবপুরে। আর কেশবপুর থেকে মাত্র ১৩ কি.মি. দূরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত মধুপল্লী। কেশবপুর থেকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল অথবা ইঞ্জিন ভ্যানে ৩০-৪০ টাকা ভাড়া দিয়ে অনায়াসে ২০-২৫ মিনিটে পৌছানো যায়।

নামমাত্র প্রবেশ মূল্যে মধু পল্লীতে দেখা মেলে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পৈতৃক বসতভিটা ও প্রসূতি স্থানসহ কবি পরিবারের যাবতীয় খুঁটিনাটি। পাশে পর্যটন কমপ্লেক্স ও জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় রাত্রি যাপনেরও রয়েছে সুব্যবস্থা। সারা দিনের ক্লান্তি অবসাদ দূর করতে সদা প্রস্তুত এই ভবনগুলো। এর পর ঘুরে আসতে পারেন আঠারোশ বছরের পুরাতন ভরত রাজার দেউল।

যা ভরতের দেউল নামে পরিচিত। কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের ভরত ভায়না গ্রামে অবস্থিত ভরতের দেউল পর্যটকদের জন্য তেমনি একটি দর্শণীয় স্থান। কেশবপুর শহর থেকে মাত্র ১৭ থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্বে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকে বা ইজিবাইকযোগে ৪০ থেকে ৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে খুব সহজে ২০ থেকে ২৫ মিনিটি পৌঁছাতে পারবেন। এ ছাড়াও মির্জানগরে দেখতে পারবেন মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাসের অংশ মির্জানগর হাম্মামখানা জানতে পারবেন মুঘল ইতিহাসের নানা খুঁটিনাটি তথ্যউপাত্ত।

কেশবপুর শহর থেকে মাত্র ৯ থেকে ১০ কিলোমিটার দুরত্বে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল বা ইজিবাইকযোগে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ভাড়া দিয়ে খুব সহজে ১৫ থেকে ২০ মিনিটি পৌঁছাতে পারবেন। এরপর যেতে পারেন উপজেলার পাজিয়ায় রয়েছে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা ধীরাজ ভট্টাচার্য্য ও সাহিত্যিক মনোজ বসুরবাড়ী। কেশবপুর থেকে মাত্র ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার রাস্তা ১৫ থেকে ২০ মিনিটে মোটরসাইকেল বা ইজিবাইকযোগে ৩০ টাকা ভাড়ায় পৌঁছাতে পারবেন।

সব শেষে কেশবপুর শহরে এসেই দেখা পাবেন সেই বিখ্যাত কালোমুখো হনুমানের। যাদের নিজ হাতে খাওয়াতে পারবেন কলা, পাউরুটি অথবা বাদাম। দিন শেষে রাত্রি যাপনের জন্য আপনি সাগরদাড়ী পর্যটন ও ডাকবাংলো অথবা কেশবপুর শহরের আবাসিক হোটেলে বুকিং নিতে পারবেন।