মেঘালয় থেকে নেমে আসা কনকনে ঠান্ডা পানিতে সারা দিন শরীরের শেষ রক্তবিন্দু পানি করে পর্যটকদের আনন্দে ভাসান যে নৌকার মাঝিরা, দিনশেষে তাদের পকেটে থাকে দীর্ঘশ্বাস। আর থাকে খিদার হাহাকার।
পর্যটকদের কাছ থেকে ঘাটে ঠিকই ৮০০ টাকা করে আদায় করা হয়। আটজন যাত্রী তোলার নামে চলে ইজারাদারের উদরপূর্তি। কিন্তু যে মাঝির হাতের শক্ত পেশিতে ভর করে চলে পর্যটনের চাকা, সেই মাঝির হাতে ইজারাদার তুলে দেন মাত্র ৩০০ টাকা! বাকি ৫০০ টাকাই হাতিয়ে নেয় ইজারাদার সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটে দৃশ্যমান এক ইজারাদার থাকলেও নেপথ্যে আছে কয়েক স্তরের সুবিধাভোগী পক্ষ।
অভিযোগ আছে, এখান থেকে ভাগ যায় সরকারি দলের স্থানীয় নেতা, প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্থানে। এসব কারণে যাদের শ্রমে চলে পর্যটনের চাকা, সেই মাঝিদের পকেটে নামকাওয়াস্তে পয়সা ঢুকলেও বড় অংশটি যায় ইজারাদারের খাতায়। এটি অবশ্য নতুন নয়। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলেও মাঝিদের প্রতি এমন অবিচার করা হয়েছে। পরের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও বলবৎ থাকে আগের ধারা।
বর্তমান সরকারের আমলেও সেই চিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রতিদিন সুবিধাভোগী পক্ষের পকেটে বিপুল অংকের টাকা পৌঁছে দিয়ে প্রকাশ্য এই শোষণকে ঢেকে রাখা হচ্ছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ভারতীয় সীমান্তবর্তী অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ‘ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর’ এখন দেশের শীর্ষ পর্যটন গন্তব্যগুলোর একটি। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটক মেঘালয়ের বুক চিরে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, শীতল স্বচ্ছ পানি আর সাদাপাথরের বিছানা দেখতে ভিড় করেন এখানে।
তবে প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্যের সমান্তরালে ঘাটের ইজারা সিন্ডিকেট, অন্যায্য টোল, নৌকা ভাড়া এবং গাড়ি পার্কিং মাশুল নিয়ে পর্যটক, মাঝিমাল্লা ও স্থানীয় চালকদের মধ্যে রয়েছে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ। প্রশাসনের ইজারাব্যবস্থা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সমন্বয় কাঠামোর নামে পর্যটক ও মাঝিদের ওপর ক্রমাগত ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিগত বছরগুলোয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের অধীন ১০ নম্বর নৌকাঘাট ও বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন পার্কিং এলাকা বার্ষিক ইজারা দেওয়া হতো।
তথ্য অনুযায়ী, ১৪২৯ বাংলা সনে (২০২২ সাল) এই ঘাটের ইজারামূল্য ছিল ১ কোটি ১২ লাখ টাকা। পরের বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকায়। ওই সময় কাজী মোস্তাফিজুর রহমানসহ স্থানীয় একটি ঠিকাদারি চক্র ইজারার দায়িত্বে থেকে খাস আদায়ের মাধ্যমে পার্কিং ও ঘাট পরিচালনা করত। পরে আইনি জটিলতা, রাজনৈতিক নানা সমীকরণ ও খাস কালেকশন বিতর্কের আগে দরপত্র মূল্যে ১৪৩১ সনের, অর্থাৎ ২০২৪ সালের জন্য ইজারার মূল্য বেড়ে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।
সে সময় উপজেলা প্রশাসন প্রতি নৌকার আসা-যাওয়ার অর্থাৎ আপ-ডাউন ট্রিপ ভাড়া নির্ধারণ করেছিল ৮০০ টাকা এবং প্রতি নৌকায় সর্বোচ্চ আটজন পর্যটক চড়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। অন্যদিকে গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে বাস ২০০, নোহা বা মাইক্রোবাস ১২০, প্রাইভেট কার ৭০, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৩০ ও মোটরসাইকেল ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। দীর্ঘদিন খাস কালেকশন ও আইনি স্থগিতাদেশের জট ছাড়িয়ে পর্যটনকেন্দ্রটির ইজারার পরিধি ও রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনে স্থানীয় প্রশাসন।
প্রথম অবস্থায় ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত ইজারা দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাতজন প্রতিযোগীর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ব্যবসায়ী মো. লিলু মিয়া ছয় মাসের জন্য সাদাপাথর পর্যটন ঘাট ও ১০ নম্বর গাড়ি পার্কিং এলাকার ইজারা পান। তিনি ৩ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় ১৩ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত ছয় মাসের জন্য এই ঘাটের পরিচালন ও টোল আদায়ের দায়িত্ব বুঝে নেন।
পরে তিনিই আরও এক বছরের জন্য ঘাটটি আবার ইজারা নিয়েছেন। তবে কত টাকায় এই এক বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে, তা প্রশাসন ও ইজারাদার কেউই বলতে রাজি নন। জানতে চাইলে নানা বাহানায় তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজনৈতিক প্রভাবে এবার আগের ইজারাদারকেই লিজ দিতে বাধ্য হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। মো. লিলু মিয়াকে রাজস্ব ব্যতীত ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে।
গত পহেলা বৈশাখ থেকে আগামী ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এই ইজারা কার্যকর থাকবে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসন, সরকারি দল ও ইজারাদারÑ এই তিন বলয়ের বোঝাপড়ায় এবার নামকাওয়াস্তে এক বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। এতে সিন্ডিকেটের পকেট ভারী হলেও সরকার হারিয়েছে বিপুল অংকের রাজস্ব। স্পটে থাকা একাধিক সূত্র এবং নিয়মিত সাদাপাথরে যাতায়াত করেন এমন পর্যটকেরা জানান, সাদাপাথরে প্রথম দিকে ভাড়া ও ইজারাদারের টাকা কম থাকলেও কোটি কোটি টাকার নতুন ইজারা ও আনুষঙ্গিক ব্যবস্থাপনা ব্যয় বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে বাড়ানো হয়েছে স্পটে যাতায়াত খরচ।
বর্তমানে প্রতি নৌকার আসা-যাওয়ার ভাড়া ৮০০ টাকা। একই সঙ্গে ঘাটব্যবস্থার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট পার্কিং ফি এখন নতুন হারে আদায় করা হচ্ছে। সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী পার্কিং এরিয়া টোল বাসপ্রতি ২০০, মাইক্রোবাস ও নোহা ১২০, প্রাইভেট কার ৭০, লেগুনা ৫০, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৩০ এবং মোটরসাইকেল ২০ টাকা হারে আদায় করার কথা। সেখানে আদায় করা হচ্ছে বেশি হারে।
এই হার বাস বা বড় কোচ ২৫০, মাইক্রোবাস ও নোহা ১৫০, প্রাইভেট কার ৭৫, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও লেগুনা ৫০ এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৩০ টাকা। ইজারাদার লিলু মিয়া দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমরা নতুন করে কোনো ফি বাড়াইনি। সরকারনির্ধারিত দরই নেওয়া হচ্ছে। নৌকাপ্রতি মাঝিকে ৩৫০ টাকা দিয়ে ৪৫০ টাকা আমরা রাখছি। ’ ‘এটি বেশি কি না বা তা নৌকার মাঝিদের ওপর জুলুম হয়ে যাচ্ছে কি না?
’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ন্যায্য পাওনাই আমরা তাদের বুঝিয়ে দিচ্ছি। ’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিন মিয়া বলেন, ‘সরকারনির্ধারিত ফি ঘাটের ইজারাদার আদায় করছেন। বেশি আদায় করলে তা অবশ্যই আমরা দেখব। ’ মাঝিদের টাকার বিষয়ে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে কথা বলে টাকার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি সরেজমিনে সাদাপাথরে গিয়ে দেখা যায়, শুধু ইজারার অংক, পার্কিং ফি বৃদ্ধি কিংবা ঘাটের চাঁদা আদায়ই নয়, দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্রটি নজিরবিহীন প্রাকৃতিক ও প্রশাসনিক সংকটের মুখোমুখি।
পাশাপাশি মাঝিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তাদের দুঃখের কথা। স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও প্রশাসনিক নজরদারির শিথিলতার সুযোগে ভোলাগঞ্জ সাদাপাথরে থাকা অন্তত ৮০ শতাংশ পাথর প্রকাশ্য দিবালোকে নিয়ে যায় স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র ও দুর্বৃত্তরা। প্রাকৃতিক গালিচার মতো বিছিয়ে থাকা কোটি কোটি টাকার পাথর চুরির এই ঘটনায় দেশজুড়ে তুমুল তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
নড়েচড়ে বসে ওই সময়কার প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্ত চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ ১৩৭ জনকে চিহ্নিত করা হয়। যৌথবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার করা হয় প্রায় ৩০ লাখ ঘনফুট পাথর। এসব পাথর পরে ঘাট ও স্পটের বিভিন্ন অংশে প্রতিস্থাপন করা হলেও তা পর্যটকদের জন্য নতুন ভোগান্তি ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে সেই পাথরও বিলীনের পথে।
রাতের আঁধারে তা চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরচক্র। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিস্থাপিত পাথরের সিংহভাগই ভাঙা, ধারালো ও সুচালো। এমনটা হয়েছে প্রাকৃতিক পাথর চুরি করে নিয়ে ভেঙে ফেলার কারণে। ফলে নদীতে নেমে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা করা পর্যটকদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায় প্রতিদিনই পা কেটে যাওয়া বা হোঁচট খেয়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।
স্বচ্ছ পানির নিচে ধারালো পাথরের কারণে পরিবেশগত ভারসাম্য যেমন নষ্ট হয়েছে, তেমনি পর্যটকদের আনন্দের অভিজ্ঞতা বিষাদে পরিণত হচ্ছে। এর ওপর নদী-তীরবর্তী সুবিধাজনক স্থানগুলোয় অবৈধ দখল, অপ্রতুল শেড এবং ঘাটে ইজারাদারদের অযাচিত দৌরাত্ম্য সাদাপাথরের প্রাকৃতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, পর্যটন মৌসুমে, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোয় গড়ে ৫০০ থেকে ৮০০টি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার বা নৌকা পর্যটক বহনে নিয়োজিত থাকে।
অন্যান্য সময়ে ২০০ থেকে ৩০০টি নৌকা পর্যটকদের সেবা দিয়ে থাকে। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলছে, নিবন্ধিত ১৬১টি নৌকা প্রতিদিন পর্যটকদের সেবা প্রদান করে। পার্কিং লটে ছুটির দিনে ভোলাগঞ্জে প্রায় ১ হাজার থেকে দেড় হাজার ছোট-বড় যানবাহন এসে ভিড় করে, যার মধ্যে মোটরসাইকেল এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংখ্যাই সর্বাধিক। অন্যান্য দিনে ৩০০ থেকে ৫০০ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি পার্কিং এলাকায় অবস্থান নেয়।
ভ্রমণে আসা পর্যটক, স্থানীয় নৌকার মাঝি ও গাড়িচালকদের সঙ্গে কথা বললে উঠে আসে পর্যটনকেন্দ্রের ভেতরের নানা অনিয়ম, ঘুষ ও সিন্ডিকেটের কথা। ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক খালিদ হাসান আক্ষেপ করে বলেন, সাদাপাথরের আগের সেই স্বর্গীয় রূপ নেই। পানির নিচে ধারালো ও ভাঙা পাথর ফেলে রাখার কারণে পা ফেলাই দায়। শিশুদের নিয়ে পানিতে নামা আরও বিপজ্জনক।
তার ওপর ঘাটে পা রাখা থেকে শুরু করে সব জায়গায় গুনতে হয় টাকা। নির্ধারিত ৮০০ টাকার বাইরেও কোনো কোনো মাঝি বা ঘাটের লোক সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন; বিশেষ করে গ্রুপে দুই-একজন বেশি হলে অতিরিক্ত টাকা গুনতেই হয়। এ ছাড়া গাড়ি পার্ক করার পর ভুগতে হয় নিরাপত্তাহীনতায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘাটের এক প্রবীণ মাঝি চোখের পানি চেপে তাদের ওপর চলা শোষণের চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘পাথর লুটপাটের পর পর্যটক এমনিতেই কিছুটা কমে গেছে। নদী আর নৌকাই আমাদের রুজি-রুটি, পরিবার চালানোর একমাত্র সম্বল। কিন্তু ইজারাদার পর্যটকদের কাছ থেকে ৮০০ টাকা তুলে আমাদের দেন মাত্র ৩০০ টাকা। প্রশাসনও আমাদের শত শত মাঝির দুঃখ না দেখে ইজারাদারের স্বার্থ দেখে। তাদের আঁতাতের কারণে আমরা ক্ষুধার্ত মাঝিরা মুখ ফুটে প্রতিবাদও করতে পারি না।
’ তিনি আরও বলেন, ‘৩০০ টাকার বড় একটা অংশ তেলের খরচে শেষ হয়ে গেলে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। পর্যটকেরা ভাবেন আমরা তাদের পকেট কাটছি, অথচ আসল লুটেরারা ঘাটে বসে আমাদের রক্ত চুষে খাচ্ছে। ’ পার্কিং ফি ও অব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাইক্রোবাসচালক সোবহান মিয়া বলেন, ‘আমরা দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটক নিয়ে এসে নির্দিষ্ট পার্কিং ফি দিয়ে গাড়ি রাখি।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় রোদ-বৃষ্টির মধ্যে কোনো শেড ছাড়াই খোলা আকাশের নিচে গাড়ি রাখতে হয়। ফি বাড়ানো হলেও পার্কিং এলাকায় চালকদের সুপেয় পানি, শৌচাগার বা বিশ্রামের কোনো সুব্যবস্থা নেই। ’ স্থানীয় এক সংবাদকর্মী বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর এলাকাটি যদি আরও পর্যটকবান্ধব করতে হয়, তবে প্রশাসনিক ঘুষ লেনদেন বন্ধ করে ঘাটের এই অনৈতিক সিন্ডিকেট অবিলম্বে ভেঙে দিতে হবে।
কেবল ইজারা থেকে বিপুল রাজস্ব আদায় আর প্রশাসনের পকেট ভারী করাই শেষ কথা হতে পারে না; খেটে খাওয়া মাঝিমাল্লাদের পেটে ভাত দেওয়া, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঘাটের টোল আদায়ে স্বচ্ছতা আনা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার করাও জরুরি।















