ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোন্ডা জেলার একটি কারাগারে বন্দি প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে এক স্কুলছাত্রী। তার কাছ থেকে ১০টি তাজা গুলি, একটি জাল আধার কার্ড এবং নগদ টাকা উদ্ধার করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৮ আগস্ট) দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) গোন্ডা ডিভিশনাল জেলে এ ঘটনা ঘটে। কারাগার সূত্রে জানা গেছে, প্রধান ফটকে নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ওই কিশোরীর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হয় নিরাপত্তাকর্মীদের। কারা কর্মকর্তা আফতাব আলম আনসারি জানান, কিশোরী যে নামে নিজের পরিচয় দেয়, তা তার আধার কার্ডে থাকা নামের সঙ্গে মিলছিল না।
পরে তল্লাশি চালিয়ে তার পকেট থেকে ১০টি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে একটি জাল আধার কার্ড ও কিছু নগদ টাকাও পাওয়া যায়। ঘটনার পর কারাগারের আউটপোস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে ওই কিশোরী এবং তার সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সামগ্রীসহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে কিশোরী তার প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করে।
পুলিশের কাছে সে দাবি করেছে, উদ্ধার হওয়া গুলিগুলো তার বাবার বৈধ লাইসেন্সধারী পিস্তলের। কিশোরীর ভাষ্য, তার বাবা অত্যন্ত রাগী স্বভাবের। জেলে বন্দি প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারলে তিনি কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকেই সে বাবার পিস্তলের গুলিগুলো সরিয়ে নিজের সঙ্গে নিয়ে আসে। তবে গুলিগুলো তার কাছে কীভাবে এলো এবং জাল আধার কার্ড ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এ ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ। কারাগার কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ওই কিশোরী আরেক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বন্দি হর্ষু কাশ্যপের সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে এসেছিল।















