ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে ২০২১ সালে সাভারের আমিনবাজারে প্রায় ৩০ একর জায়গাজুড়ে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিল পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু ক্ষমতায় থাকাকালে ঠিকাদার নিয়োগের ক্ষেত্রে লুটপাটের কারণে সেই প্রকল্প আর বাস্তবায়ন করেনি তারা।
ফলে রাজধানীর প্রতিদিনের হাজার হাজার টন বর্জ্য নগরবাসীর দুর্ভোগের কারণ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ পাওয়ার সম্ভাবনা এতদিন বাস্তবে রূপ নেয়নি। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে আবারও এটি নিয়ে কাজ শুরু করে। দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই এ কেন্দ্র নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হলেও কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে। যদিও গত মার্চে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন এই কেন্দ্রটি নির্মাণে ২০২৮ সালের লক্ষ্যমাত্রা ধরে কাজ চলছে, তবে এখন পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রই পাওয়া যায়নি।
ফলে এর বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীর ঢাকার প্রতিদিনের হাজার হাজার টন বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে নগরবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারণ। দুর্গন্ধ, দূষণ আর বিশাল ময়লার স্তূপের বিপরীতে সেই বর্জ্যকেই বিদ্যুতের কাঁচামালে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল প্রায় ৬ বছর আগে। কিন্তু তা কাগজে কলমেই থেকে যায়। একাধিকবার তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে এটি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া খাত সংশ্লিষ্টদের লুটপাটের কারণে প্রায় ৩০ একর জায়গা এখনো অবহেলায় পড়ে আছে।
বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে একদিকে আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত হবে বিদ্যুৎ উৎপাদন।
তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটি প্রস্তুতির বিভিন্ন ধাপ পার করলেও বাস্তবায়ন নিয়ে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের চূড়ান্ত ছাড়পত্র না পাওয়ায় কাজ পুরোপুরি শুরু করা সম্ভব হয়নি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) সূত্রে জানা গেছে, চীনের চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারি করপোরেশন (সিএমসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এইইবি) তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৪৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ইতোমধ্যে এইইবি প্রকল্পটির জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করেছে। প্রকল্পের অধীনে চারটি ইনসিনারেশন লাইন এবং দুটি ৩৫ মেগাওয়াটের টারবাইন-জেনারেটর ব্যবস্থা থাকার কথা। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার জন্য আমিনবাজার থেকে সাভার সাবস্টেশন পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই ঘটা করে উদ্বোধন হয়েছিলে নারায়ণগঞ্জ জেলার জালকুড়ি এলাকায় ৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বর্জ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের। গ্রাহকদের কাছে মাত্র ৫ থেকে ৬ টাকায় বিদ্যুৎ বিক্রির লক্ষ্যে ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর ৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কনসোর্টিয়াম অব ইউডি এনভায়রনমেন্টাল ইকুইপমেন্ট টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড নামে চীনের একটি কোম্পানির সঙ্গে।
কিন্তু বিভিন্ন কারণে চুক্তিটি বাতিল হয় ২০২৪ সালে। ফলে বহুল প্রত্যাশিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কাজ আর হয়নি। তখনই ওই সময় সরকার ঘোষণা দেয় সাভারের আমিনবাজারে বর্জ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির। কিন্তু তারাও এটি তৈরিতে ব্যর্থ হয়। পরে সম্প্রতি আবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে সাভারের আমিনবাজারে প্রায় ৩০ একর জায়গাজুড়ে ৪২ দশমিক পাঁচ মেগাওয়াট বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পটি হাতে নেয় বর্তমান বিএনপি সরকার।
এ লক্ষ্যে চায়না কোম্পানি ‘চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন’ এর সঙ্গে ২০২১ সালের ১ জানুয়ারিতে স্বাক্ষরিত ৪টি চুক্তির নবায়ন করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় শুধু আমিনবাজারেই নয় দেশজুড়ে এরকম অন্তত আরও চারটি বর্জ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
জানা যায়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং প্রক্রিয়াকরণ কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাইভেট সেক্টর পাওয়ার জেনারেশন পলিসির আওতায় বিওও ভিত্তিতে আইপিপি হিসেবে চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএমইসি) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার বর্জ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রে ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ এর ভিত্তিতে ইনসিনারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
যা আর্থিক সমাপনী হিসাবের চূড়ান্তকরণের দিন থেকে ২৪ মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। ২৫ বছর মেয়াদি এ চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে স্পন্সর কোম্পানি নিজ ঝুঁকিতে প্লান্ট স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বহন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রির মাধ্যমে তাদের ব্যয় নির্বাহ করবে। এতে সিটি করপোরেশন প্লান্ট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জমির সংস্থান এবং নিয়মিত বর্জ্য সরবরাহ করবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, প্লান্টটি চালু হলে সেখানে প্রতিদিন ৩ হাজার টন বর্জ্য সরবরাহ করতে হবে। এ পরিমাণ বর্জ্য সরবরাহ করতে না পারলে উত্তর সিটি করপোরেশনকে প্রতি টন ঘাটতি বর্জ্যরে জন্য ১ হাজার টাকা হারে স্পন্সর কোম্পানিকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। যেহেতু প্রতিদিন ৩ হাজার টন বর্জ্য প্রয়োজন হবে তাই এ পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করতে হলে আর যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকবে না।
এ প্রক্রিয়ায় বর্জ্য প্রায় সম্পূর্ণরূপে দহন করে বর্জ্যরে আয়তন প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব এবং এর ফলে বর্জ্য ফেলার জমির চাহিদাও হ্রাস পাবে। তবে প্রকল্প নিয়ে নানা পরিকল্পনার কথা জানান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন)। রূপালী বাংলাদেশকে তিনি জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্র ইনসিনারেশন প্রযুক্তি প্রয়োগে বর্জের দহনের মাধ্যমে সৃষ্ট গ্যাসীয় নিঃসরণ মান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।
গ্রহণ করা হবে ইইউ/২০১০/৭৫ইইউ মানদণ্ড যা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭-এর মানদণ্ড থেকে বেশি পরিবেশবান্ধব এবং বর্তমানে উন্নত দেশগুলোতে অনুসরণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে ইনসিনারেশন পদ্ধতিতে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সরকার।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সম্ভাবনার বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী, উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মো. শাহে আলম সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলে, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় এ রকম প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ঢাকা শহরের অন্যতম সমস্যা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ গ্রহণ করি।
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দফায় দফায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক সভা করেছি। এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে যেসব দেশ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে এমন বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ দেশি-বিদেশিদের মতামতও নিয়েছি। এই প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন হলে দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং জেলা পর্যায়ে ইনসিনারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সরকার।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের তুলনায় নবায়নযোগ্য উৎসের অবদান এখনো সীমিত। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত দেশে সৌর, জলবিদ্যুৎ, বায়ু, বায়োগ্যাস ও বায়োমাস মিলিয়ে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের স্থাপিত সক্ষমতা প্রায় ১,৫৪৪ মেগাওয়াট— যার মধ্যে সৌরবিদ্যুৎই প্রধান উৎস।
বিদ্যুৎ বিভাগের সর্বশেষ ১৫ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২,৬৮৮ মেগাওয়াট। একই সময়ে এ বছরের ২০ মে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল ১৭,২০১ মেগাওয়াট। এ ছাড়াও সরকার আরও ব্যাপক আকারে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুতের জন্য নতুন দ্বার উন্মোচন হবে বলে দাবি করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে জ্বালানি খাতে আমরা একটা কঠিন সময় পার করছি। এ জন্য যত ধরনের বিকল্প প্রয়োজন আমরা চেষ্টা করছি। এই বর্র্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প এর মধ্যে একটি। কঠিন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে রাজি হয়েছে ডিএনসিসি। এ জন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে দেশের বিদ্যুৎ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে মনে আমরা মনে করছি।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওয়েস্ট টু এনার্জি প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি হলো প্রতিদিন প্রয়োজনীয় প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য নিয়মিত সরবরাহ করা সম্ভব হবে কি না। তাই এখানে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, বর্জ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন, বাছাই এবং নির্দিষ্ট মান বজায় রেখে প্ল্যান্টে সরবরাহ করা না গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শুধু বর্জ্য পোড়ালেই হবে না। ওয়েস্ট টু এনার্জি প্রকল্পের ক্ষেত্রে পরিবেশগত নিরাপত্তা অন্যতম বড় বিষয়। বর্জ্য পোড়ানোর সময় নির্গত গ্যাস, ছাই এবং অন্যান্য উপজাত যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে একটি দূষণ কমানোর প্রকল্পই নতুন দূষণের উৎসে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
অর্থাৎ প্রকল্পের সাফল্য শুধু কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করবে না; নির্গমন নিয়ন্ত্রণ, ছাই ব্যবস্থাপনা, ভূগর্ভস্থ পানি ও মাটির সুরক্ষা এবং আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার ওপর প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। প্রসঙ্গত, আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য জমে থাকার কারণে আশপাশের এলাকায় দুর্গন্ধ ও পরিবেশদূষণের অভিযোগ রয়েছে।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীও এ বছরের এপ্রিলে ল্যান্ডফিল পরিদর্শনের সময় স্থানীয় জনজীবনে দীর্ঘদিনের বর্জ্যজনিত দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে প্রকল্পটিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। ডিএনসিসিও জানিয়েছে, ঢাকার বর্জ্যরে পাশাপাশি সাভার এলাকার বর্জ্য এই ব্যবস্থার আওতায় আনা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় জনগণের জন্য প্রকল্পের সুফল নিশ্চিত করতে হলে শুধু ল্যান্ডফিলের বর্জ্য সরিয়ে নেওয়াই যথেষ্ট নয়।
প্ল্যান্ট থেকে নির্গমন, পরিবহনকালে বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া, যানবাহনের চাপ এবং ছাই ব্যবস্থাপনা— সবকিছুর ওপর কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



















