আজ রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
২৪ কার্তিক, ১৪৩৩ | ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৩°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

মুন্সীগঞ্জে কুন্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেতুমন্ত্রী

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:36:53 pm, Sunday, 8 November 2026
  • 16

মুন্সীগঞ্জে কুন্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেতুমন্ত্রী

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কুন্ডেরবাজার এলাকায় ১৫১ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ৬৮ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে দুই লেনের সেতুটি।

পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতুর পরিবর্তে এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। রোববার (৮ নভেম্বর) সেতুটির পাইলিং ও নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) বাস্তবায়নাধীন ‘জরাজীর্ণ, অপ্রশস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিদ্যমান বেইলি সেতু এবং আরসিসি সেতু প্রতিস্থাপন প্রকল্প (ঢাকা জোন)’-এর আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে নির্মিতব্য স্টিল কম্পোজিট কাঠামোর সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৫১ দশমিক ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ৩০ মিটার। সেতুর পাশাপাশি ৬০০ মিটার সংযোগ সড়কও নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সংশ্লিষ্টরা জানান, সেতুটি নির্মিত হলে টঙ্গীবাড়ী, লৌহজং, শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলাসহ আশপাশের এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে এসব এলাকার যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও সময়সাশ্রয়ী হবে।

এ ছাড়া কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ এবং শিক্ষাসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা পেতে স্থানীয়দের ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি গতিশীল হওয়া এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার সমাধানে সেতুটির নির্মাণকাজের উদ্বোধনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সেতুটি চালু হলে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ফেনীর দাগনভূঞায় বিএনপির র‍্যালি ঘিরে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ

মুন্সীগঞ্জে কুন্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেতুমন্ত্রী

Update Time : 07:36:53 pm, Sunday, 8 November 2026

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কুন্ডেরবাজার এলাকায় ১৫১ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ৬৮ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে দুই লেনের সেতুটি।

পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতুর পরিবর্তে এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। রোববার (৮ নভেম্বর) সেতুটির পাইলিং ও নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) বাস্তবায়নাধীন ‘জরাজীর্ণ, অপ্রশস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিদ্যমান বেইলি সেতু এবং আরসিসি সেতু প্রতিস্থাপন প্রকল্প (ঢাকা জোন)’-এর আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে নির্মিতব্য স্টিল কম্পোজিট কাঠামোর সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৫১ দশমিক ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ৩০ মিটার। সেতুর পাশাপাশি ৬০০ মিটার সংযোগ সড়কও নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সংশ্লিষ্টরা জানান, সেতুটি নির্মিত হলে টঙ্গীবাড়ী, লৌহজং, শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলাসহ আশপাশের এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে এসব এলাকার যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও সময়সাশ্রয়ী হবে।

এ ছাড়া কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ এবং শিক্ষাসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা পেতে স্থানীয়দের ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি গতিশীল হওয়া এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার সমাধানে সেতুটির নির্মাণকাজের উদ্বোধনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সেতুটি চালু হলে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।